|
ঝুট ব্যবসা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন তুষার
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ঝুট ব্যবসা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন তুষার সম্প্রতি প্রকাশিত এসব সংবাদের প্রতিবাদে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে তুষার দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক নথিপত্র যাচাই না করে অভিযোগ প্রচার করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিবাদলিপিতে প্রতি কেজি ঝুটের বিপরীতে তিন টাকা করে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে তুষার বলেন, এ অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য বা দালিলিক প্রমাণ তাঁর জানা মতে উপস্থাপন করা হয়নি। কখন, কীভাবে এবং কার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে, সে বিষয়েও অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ভিত্তি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের আহ্বান জানান তিনি। ট্রাকচালক ও শ্রমিকদের মারধর এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তুষার। তিনি এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও সাজানো বলে দাবি করেন। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। নিজের ব্যবসায়িক পরিচয় তুলে ধরে তুষার দাবি করেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতার ‘লাইনম্যান’ হিসেবে নয়, বরং ‘মেসার্স আলম এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে লুইটেক্স ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের সঙ্গে ঝুট ও ওয়েস্টের ব্যবসা করে আসছেন। এ ব্যবসার জন্য তাঁর হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ২০১৮ সাল পর্যন্ত লুইটেক্স ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের সঙ্গে তাঁর বৈধ ব্যবসায়িক চুক্তি ছিল। ওই চুক্তির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির ঝুট ও ওয়েস্ট মালামাল ক্রয়-বিক্রয় করা হতো। তুষার আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চুক্তিপত্র হালনাগাদ না হলেও তাঁর ছোট ভাই ইশতিয়াকের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক লেনদেন চলমান রয়েছে। এ-সংক্রান্ত ব্যাংক স্টেটমেন্ট তাঁর কাছে রয়েছে বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, চলমান ব্যবসায়িক সম্পর্কের মধ্যে অন্য কারও মাধ্যমে ব্যবসা হস্তান্তরের চেষ্টা করা হলে তা প্রশ্নের সৃষ্টি করে। প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তুষার অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যম তাঁর বক্তব্য না নিয়েই অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করেছে। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, নথিপত্র যাচাই এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ছাড়া কোনো অভিযোগ প্রকাশ করা হলে তা পাঠকের কাছে অসম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরতে পারে। প্রতিবাদলিপির শেষাংশে তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও ব্যক্তিদের প্রতি ভিত্তিহীন প্রচার বন্ধ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
