|
নতুন ঋণ কর্মসূচিতে রাজস্ব ও আর্থিক সংস্কারে গুরুত্ব আইএমএফের
সায়ীদ আবদুল মালিক, ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) থেকে
|
![]() নতুন ঋণ কর্মসূচিতে রাজস্ব ও আর্থিক সংস্কারে গুরুত্ব আইএমএফের গতকাল বৃহস্পতিবার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর সোনালী জৈন-চন্দ্র। তিনি বলেন, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার যথাসময়ে বাস্তবায়ন জরুরি। বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনায় এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান সোনালী জৈন-চন্দ্র। তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও আর্থিক খাতের সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে আইএমএফ। এসব সংস্কারের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করছে সংস্থাটি। সংস্কারে গুরুত্ব নতুন ঋণ আলোচনায় বাংলাদেশ নতুন করে আইএমএফের কাছ থেকে ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। প্রস্তাবিত এ কর্মসূচিতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংস্কার, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা এবং ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত কম থাকায় সরকারি ব্যয় নির্বাহ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়ানো বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে করের আওতা সম্প্রসারণ, রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার বিষয়গুলো নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার সময়মতো বাস্তবায়নের ওপরও জোর দিচ্ছে আইএমএফ। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কার্যক্রমের অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রস্তাবিত নতুন ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে এখনো আলোচনা চলছে। কর্মসূচির চূড়ান্ত শর্ত ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
