|
টিকটকে পরিচয় থেকে ‘কাছে আসা’, দেখা করাই কাল হলো কিশোরীর
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() টিকটকে পরিচয় থেকে ‘কাছে আসা’, দেখা করাই কাল হলো কিশোরীর এ ঘটনায় ওই কিশোরী মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রাজু গাজীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার উপজেলার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠ এলাকায় দেখা করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পূর্ব দিনারা গ্রামের ওই কিশোরীর সঙ্গে সখিপুর থানার চারভাগা শনি কান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর ছেলে রাজু গাজী (২১) সঙ্গে প্রায় তিন মাস ধরে টিকটক ও ইমোর মাধ্যমে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে কিশোরী দেখা করতে গেলে রাজু তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একদিন আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে কিশোরী বিয়ের কাবিননামা করার জন্য চাপ দিলে রাজু তাকে এলাকায় ফিরিয়ে এনে বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এজাহারে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মাতব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পেয়ে রাজুর পরিবারকে জানালে, রাজু বিয়ে করতে অস্বীকার করে এবং মামলা বা বাড়াবাড়ি করলে ভুক্তভোগীকে খুন করে মরদেহ গুম করার হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সখিপুর থানায় আইনি সহায়তার জন্য গেলে পুলিশ তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেয়। ফলে আইনি জটিলতা ও বিলম্বে ২২ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক মামলা দাখিল করা হয়। ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত রাজু গাজীর বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে তার পরিবার কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। উল্টো সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলে, আপনারা যা পারেন করেন। এ বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
