ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
সায়ন্তিকার মেদ ঝরানোর গল্প: ৩ মাসে ১০ কেজি ঝরিয়ে রোগা হলেন কী ভাবে?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 26 September, 2026, 5:52 PM

সায়ন্তিকার মেদ ঝরানোর গল্প: ৩ মাসে ১০ কেজি ঝরিয়ে রোগা হলেন কী ভাবে?

সায়ন্তিকার মেদ ঝরানোর গল্প: ৩ মাসে ১০ কেজি ঝরিয়ে রোগা হলেন কী ভাবে?

লক্ষ্য ছিল, আগের মতো ফিট হওয়া। আর সেই যাত্রায় মাত্র তিন মাসে ১০ কেজিরও বেশি ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী ছিল তাঁর মূলমন্ত্র?

‘‘আয়নায় নিজেকে দেখে ভাল লাগছিল না।’’ আর তার পর স্বাস্থ্যকর যাপনে ফিরে গেলেন। কেবল রোগা হওয়ার উদ্দেশ্য ছিল না সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। লক্ষ্য ছিল, আগের মতো ফিট হওয়া। আর সেই যাত্রায় মাত্র তিন মাসে ১০ কেজিরও বেশি ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন তিনি। সায়ন্তিকার এই পরিবর্তন অনেকেরই চোখে পড়েছে। আর তাই একাধিক মহলে প্রশ্ন উঠছিল, রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার কারণেই কি এই বদল?  উত্তর দিলেন সায়ন্তিকা।

জানালেন, বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ছিপছিপে হওয়া বা ফিট হওয়ার নেপথ্যে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। নিজের শরীর দিয়ে টের পাচ্ছিলেন তিনি। নিজেকে দেখতে ভাল লাগছিল না। তাই এই রূপান্তরের পথে হাঁটা। অবশ্য এ কথা সত্য, রাজনীতি করার সময়ে কাজে এমন ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, রুটিন মেনে চলা হয়নি। তা ভাল মতোই জানান দিচ্ছিল শরীর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগে ওজন বাড়িয়ে ফেলেছিলেন। তার উপর পোষ্যের মৃত্যুর কারণে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সব মিলিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি তাঁর পক্ষে। উল্টে ওজন বাড়তে থেকেছে। তাই কাজকর্ম গুটিয়ে একেবারে ফিটনেসের যাত্রা শুরু করবেন বলে স্থির করেন।

তবে তারকাসুলভ এবং কেতাদুরস্ত পথে হাঁটেননি নায়িকা। আর তাই দুর্গাপুজোর আগে আপনিও সহজেই অনুসরণ করতে পারেন সায়ন্তিকাকে। দু’টি মূলমন্ত্র ছিল তাঁর, শারীরচর্চা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস। সায়ন্তিকা এমন কোনও রুটিনে নিজেকে বাঁধতে চাননি, যা দেখতে ভাল, শুনতে ভাল, কিন্তু দীর্ঘদিন অনুসরণ করা কঠিন।

কেমন রুটিনে রোগা হয়েছেন সায়ন্তিকা?

ভোর: ঘুম থেকে উঠে চিনি ছাড়া কালো কফি খেয়ে জিমে চলে যান সায়ন্তিকা। সেখানে শক্তিবর্ধক ব্যায়াম, কার্ডিয়ো এবং ভারোত্তোলন অনুশীলন করেন তিনি।

সকাল: শারীরচর্চা করে এসে ডিম আর একটা টোস্ট খান প্রাতরাশে। সঙ্গে মাঝে মধ্যে টক দইও খান।

দুপুর: সব খাবার খেয়েই ওজন কমিয়েছেন সায়ন্তিকা। ভাত, ডাল, স্যালাড, তরকারি, মাছ, মাংস, ডিম— বাড়িতে যখন যা রান্নাবান্না হয়েছে, তা-ই খেয়েছেন। তবে পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন। শুরুর দিকে ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’ করে ১৬ ঘণ্টা উপবাসে থাকতেন। কিন্তু সেটি বেশি দিন চালিয়ে যাননি, যাতে শরীর ভেঙে না পড়ে।

বিকেল: বিকেলে হালকা খিদে পেলে মাখানা খান।

রাত: প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, সবে মিলে সাজানো হয় সায়ন্তিকার থালা। দুপুরের মতোই বাড়ির রান্না খান নায়িকা। ভাতের পরিমাণ কমিয়ে সঙ্গে সব্জি বেশি করে খাচ্ছেন। ভারী শারীরচর্চা করেন বলে পেশির ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য প্রোটিনের পরিমাণটা একটু বেশিই রাখতে হয়। সামগ্রিক ভাবে ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে ফেলেছেন তিনি।

তিন মাসে ওজন কমিয়েই থেমে যাননি সায়ন্তিকা। এই সমস্ত নিয়ম এখনও মেনে চলেন তিনি। ওজন যাতে নিয়ন্ত্রণে রাখা সুবিধা হয়, নিজেকে ফিটও লাগে তাঁর।

সায়ন্তিকার সুবিধা হল, তিনি মিষ্টিপ্রেমী নন। চা-কফিতেও চিনি খান না। এর ফলে রাতে খাওয়ার পর মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা তৈরি হয় না কখনওই।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status