|
কাচের মতো মসৃণ ও চকচকে চুল চান? জেনে নিন রহস্য
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() কাচের মতো মসৃণ ও চকচকে চুল চান? জেনে নিন রহস্য তবে কাচের মতো চকচকে চুল পেতে মেথি নাকি ডিম—কোনটি বেশি কার্যকর? কাচের মতো চুল কীভাবে পাওয়া যায়? চুলের বাইরের স্তর বা কিউটিক্যাল যত মসৃণ থাকে, আলো তত সুন্দরভাবে চুলের ওপর প্রতিফলিত হয়। ফলে চুল দেখতে আরও চকচকে ও ঝকঝকে লাগে। চুলের নিয়মিত যত্ন, ভালোভাবে কন্ডিশনিং, সঠিকভাবে চুল সাজানো এবং অতিরিক্ত তাপ থেকে চুলকে সুরক্ষিত রাখা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপাদানও সাময়িকভাবে চুল নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে। মেথির হেয়ার মাস্ক চুলের যত্নে মেথির ব্যবহার বহুদিনের। মেথি বীজে বিভিন্ন উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদান রয়েছে। মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে আঠালো ও জেলির মতো একটি পদার্থ তৈরি হয়। একে মিউসিলেজ বলা হয়। এই মিউসিলেজ চুলের ওপর মসৃণ একটি আবরণ তৈরি করতে পারে। ফলে চুল ধোয়ার পর তুলনামূলকভাবে নরম ও মসৃণ লাগে এবং চুল সহজে সামলানো যায়। চুলের ওপরের স্তর মসৃণ থাকলে আলোও তুলনামূলকভাবে সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। এতে চুল দেখতে আরও চকচকে লাগে। অর্থাৎ, মেথি চুলের গঠন বদলে দেওয়ার কোনো জাদুকরি উপায় নয়। বরং এটি অনেকটা কন্ডিশনারের মতো কাজ করে সাময়িকভাবে চুলকে মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করতে পারে। ডিমের হেয়ার মাস্ক কতটা কার্যকর? চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই ঘরোয়া চুলের মাস্কে ডিমের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। ডিমে অ্যামিনো অ্যাসিড ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তবে ডিম খাওয়া আর কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে লাগানো এক বিষয় নয়। চুলের যত্নের প্রসাধনীতে নির্দিষ্ট উপায়ে প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড ব্যবহার করা হলে চুলের শক্তি ও কন্ডিশন ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু সরাসরি কাঁচা ডিম চুলে লাগালেই ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত হয়ে যাবে—এমন প্রমাণ নেই। ঘরোয়া মাস্ক হিসেবে একটি ডিমের সঙ্গে এক টেবিল চামচ দই ও এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নেওয়া যায়। মিশ্রণটি ভেজা চুলের মাঝামাঝি অংশ থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এরপর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। তবে ধোয়ার সময় খুব গরম পানি ব্যবহার না করাই ভালো। তাহলে মেথি নাকি ডিম? কাচের মতো মসৃণ ও চকচকে চুলের লুক পেতে চাইলে মেথির মাস্ক তুলনামূলকভাবে এগিয়ে। মেথির মিউসিলেজ চুলের ওপর মসৃণ আবরণ তৈরি করতে পারে। এতে চুল সাময়িকভাবে নরম, মসৃণ ও চকচকে দেখাতে পারে। অন্যদিকে, ডিমের মাস্কে থাকা প্রোটিন নিয়ে অনেক আগ্রহ থাকলেও কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে ব্যবহার করলেই ক্ষতিগ্রস্ত চুল মেরামত হবে—এমনটা বলা যায় না। চুল যদি খুব দুর্বল, ক্ষতিগ্রস্ত বা সহজেই ভেঙে যায়, তাহলে শুধু ঘরোয়া ডিমের মাস্কের ওপর নির্ভর না করে ভালো মানের প্রোটিনসমৃদ্ধ চুলের পরিচর্যার মাস্ক বা চিকিৎসাধর্মী পরিচর্যা বেশি কার্যকর হতে পারে। শুধু মাস্কেই মিলবে না কাচের মতো চুল কাচের মতো চকচকে চুল পেতে শুধু কোনো একটি মাস্ক ব্যবহার করলেই হবে না। নিয়মিত চুলের যত্নের পাশাপাশি চুলকে ভালোভাবে কন্ডিশনিং করা, সঠিকভাবে সাজানো এবং অতিরিক্ত তাপ থেকে রক্ষা করাও জরুরি। ঘরোয়া মাস্ক চুলের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা সাময়িকভাবে বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তাই দ্রুত চকচকে লুক পেতে মেথি উপকারী হতে পারে, তবে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য নিয়মিত ও সঠিক পরিচর্যাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
