ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
অটোরিকশা: বাংলাদেশের রাজনীতির গলার কাঁটা, না কি রাজনৈতিক হাতিয়ার?
মহিউদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ: Monday, 7 September, 2026, 4:07 PM

অটোরিকশা: বাংলাদেশের রাজনীতির গলার কাঁটা, না কি রাজনৈতিক হাতিয়ার?

অটোরিকশা: বাংলাদেশের রাজনীতির গলার কাঁটা, না কি রাজনৈতিক হাতিয়ার?

বাংলাদেশের সড়কে অটোরিকশা এখন আর কেবল একটি যানবাহন নয়; এটি একই সঙ্গে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, জনদুর্ভোগ, পরিবেশ, জ্বালানি ব্যবহার এবং সর্বোপরি রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে। আমার দৃষ্টিতে, অটোরিকশা বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য যেমন একটি বড় সমস্যা, আগামী দিনের জন্যও এটি একটি বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ।

অটোরিকশা নিয়ে কথা বললেই প্রথমে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে একজন দরিদ্র চালকের ছবি। মাথায় গামছা, পরনে সাধারণ পোশাক, সারাদিন রাস্তায় পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার চেষ্টা—এই বাস্তবতা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু সমস্যাটি হচ্ছে, আমরা অটোরিকশার চালক এবং অটোরিকশার মালিককে একই শ্রেণির মানুষ হিসেবে দেখছি। বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই চালক দরিদ্র হলেও মালিক দরিদ্র নন। কোথাও কোথাও একজন মালিকের একাধিক অটোরিকশা রয়েছে এবং সেগুলো ভাড়ায় চালানো হয়।

ফলে অটোরিকশার অর্থনীতি বিশ্লেষণ করতে হলে শুধু চালকের দারিদ্র্য দেখলে হবে না; মালিকানা কাঠামো, দৈনিক ভাড়া, ব্যাটারি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার, সড়কে এর চাপ এবং নগর ব্যবস্থাপনার ওপর প্রভাব—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

রাজনীতিতে দরিদ্র মানুষের আবেগ

বাংলাদেশের রাজনীতির একটি পুরোনো বাস্তবতা হচ্ছে—দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত করা তুলনামূলকভাবে সহজ। কারণ তাদের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কোনো বিষয় রাজনৈতিক আন্দোলনের শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে।

অটোরিকশা ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।

সরকার যদি হঠাৎ করে ঘোষণা দেয়, ‘অটোরিকশা বন্ধ’, তাহলে এর সঙ্গে শুধু যানবাহন বন্ধের প্রশ্ন থাকবে না। সঙ্গে যুক্ত হবে কয়েক লাখ মানুষের জীবিকা, পরিবারের খাদ্য, সন্তানদের পড়াশোনা, ঋণের কিস্তি এবং প্রতিদিনের আয়ের প্রশ্ন।

অর্থাৎ, সরকার যদি অটোরিকশা অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি খুব সহজেই এটিকে ‘গরিবের পেটে লাথি’ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।

সেখানেই তৈরি হয় রাজনৈতিক ফাঁদ।

একদিকে সরকার জানে যে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ না করলে যানজট, দুর্ঘটনা, বিশৃঙ্খলা, অবৈধ পার্কিং, সড়কের ধারণক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে সরকার জানে, কঠোর ব্যবস্থা নিলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সেই সিদ্ধান্তকে দরিদ্র মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

ফলে অটোরিকশা হয়ে ওঠে সরকারের জন্য এক ধরনের মরণ ফাঁদ।

বিরোধী রাজনীতির জন্য আশীর্বাদ

অন্যদিকে বিরোধী রাজনীতির জন্য বিষয়টি অত্যন্ত সুবিধাজনক।

কারণ অটোরিকশা চালকদের একটি বড় অংশ নিম্নআয়ের মানুষ। তাদের সামনে দাঁড়িয়ে যদি কেউ বলে—‘আপনাদের রুটি-রুজি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে’, তাহলে সেই বক্তব্য মানুষের আবেগে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে।

বাস্তবতা হচ্ছে, একটি যানবাহনকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক আবেগ তৈরি হয়, সেটি অনেক সময় যানবাহনটির প্রকৃত অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাবের আলোচনাকে আড়াল করে দেয়।

তখন প্রশ্ন ওঠে না—এই অটোরিকশা বৈধভাবে চলছে কি না।

প্রশ্ন ওঠে না—এর মালিক কে।

প্রশ্ন ওঠে না—সড়কের ধারণক্ষমতা কত।

প্রশ্ন ওঠে না—এটি কোথায় চলবে।

প্রশ্ন ওঠে না—কতগুলো যানবাহন একটি নির্দিষ্ট এলাকায় চলার অনুমতি পাওয়া উচিত।

প্রশ্ন হয় শুধু একটি—গরিব মানুষের জীবিকা বন্ধ হবে কি না।

আর এই আবেগের রাজনীতির সুযোগটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগাতে পারে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি।

কিন্তু বাস্তব সমস্যাটিও তো অস্বীকার করা যাবে না

রাজনীতি দিয়ে বাস্তবতা ঢেকে রাখা যায়, কিন্তু বাস্তবতা পরিবর্তন করা যায় না।

যদি কোনো শহরের সড়ক অটোরিকশার চাপে অচল হয়ে যায়, তাহলে সেই যানজটের ভুক্তভোগীও কিন্তু সাধারণ মানুষ। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী, পথচারী—সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

একটি অ্যাম্বুলেন্স যদি যানজটে আটকে যায়, তখন অটোরিকশার চালকের দারিদ্র্য দেখিয়ে সমস্যাটিকে পাশ কাটানো যায় না।

একটি শহরের প্রধান সড়ক যদি ধীরগতির ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনে পূর্ণ হয়ে যায়, তখন শুধু ‘মানুষের জীবিকা’ বললেই নগর ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা আড়াল করা যায় না।

আবার এটাও সত্য যে অটোরিকশা না থাকলে অনেক নিম্নআয়ের মানুষের সাশ্রয়ী যাতায়াতের সুযোগ কমে যেতে পারে। অনেক এলাকায় এটি মানুষের দৈনন্দিন পরিবহনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে।

তাই সমস্যার সমাধান অটোরিকশাকে একদিনে তুলে দেওয়া নয়। আবার সমস্যার সমাধান অটোরিকশাকে কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলতে দেওয়াও নয়।

 জ্বালানি সংকটের মধ্যেও অটোরিকশার প্রশ্ন।

বাংলাদেশ যখন জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ সংকট এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তখন অটোরিকশার বিষয়টিকে আরও বৃহৎ পরিসরে দেখতে হবে।

অটোরিকশা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। সেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আবার জ্বালানি দরকার হতে পারে। ফলে ‘অটোরিকশা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তাই এটি জ্বালানি সাশ্রয়ী’—এমন সরল হিসাবও সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়।

আমাদের দেখতে হবে বিদ্যুৎ কোথা থেকে আসছে, কখন চার্জ হচ্ছে, চার্জিং অবকাঠামো কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর ওপর জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কী প্রভাব পড়ছে।

বিশেষ করে যখন বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকে, তখন অনিয়ন্ত্রিত চার্জিং ব্যবস্থা নতুন ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

অর্থাৎ অটোরিকশা এখন শুধু সড়ক পরিবহনের সমস্যা নয়; এটি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার সঙ্গেও সম্পর্কিত।

 তাহলে কি অটোরিকশা তুলে দিতে হবে?

আমার উত্তর—হঠাৎ করে নয়।

কোনো দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা না করে একটি জনপ্রিয় পরিবহনব্যবস্থা নিষিদ্ধ করা কখনোই টেকসই সমাধান হতে পারে না।

প্রথমে জানতে হবে দেশে মোট কত অটোরিকশা আছে, কোন এলাকায় কত আছে, কতগুলো বৈধ, কতগুলো অবৈধ, কতগুলো বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কতগুলো প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক আয়ের সঙ্গে যুক্ত।

এরপর অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা করতে হবে।

যেখানে বড় সড়কে অটোরিকশা চলাচল করা উচিত নয়, সেখানে বিকল্প রুট দিতে হবে। শহরের ভেতরে নির্দিষ্ট লেন বা নির্দিষ্ট রুট নির্ধারণ করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি অটোরিকশা ঢুকতে না দেওয়া যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, চালককে নয়।

চালককে অপরাধী বানিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং চালকদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ, নির্দিষ্ট রুট, পরিচয়পত্র এবং সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে।

একই সঙ্গে মালিকদেরও জবাবদিহির মধ্যে আনতে হবে।

যার পাঁচটি বা দশটি অটোরিকশা আছে, তাকে শুধু ‘গরিবের বাহন’ ধারণার আড়ালে রেখে দিলে চলবে না।

রাজনীতির বাইরে যেতে হবে

অটোরিকশা নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—আমরা এটিকে একটি নীতিগত বিষয় হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক বিষয় হিসেবে দেখি।

সরকার নিষেধাজ্ঞা দিলে বিরোধীরা আন্দোলন করবে।

বিরোধীরা আন্দোলন করলে সরকার কঠোর হবে।

সরকার কঠোর হলে চালকরা রাস্তায় নামবে।

চালকরা রাস্তায় নামলে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের পাশে দাঁড়াবে।

শেষ পর্যন্ত অটোরিকশা আবারও রাজনৈতিক শক্তির পরীক্ষার মাঠে পরিণত হবে।

কিন্তু এতে সমস্যার সমাধান হবে না।

বরং অটোরিকশা আরও বাড়বে, সড়ক আরও সংকুচিত হবে এবং একসময় সরকার এমন একটি সমস্যার মুখোমুখি হবে যার সমাধান করা রাজনৈতিকভাবে আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
 আগামী বাংলাদেশের জন্য সিদ্ধান্ত এখনই নিতে হবে

আমার আশঙ্কা হচ্ছে, আজ যে অটোরিকশাকে আমরা সামান্য পরিবহন সমস্যা হিসেবে দেখছি, আগামী দিনে সেটিই বড় নগর ব্যবস্থাপনা সংকটে পরিণত হতে পারে।

জনসংখ্যা বাড়বে, নগরায়ণ বাড়বে, ব্যক্তিগত যানবাহন বাড়বে, অনলাইন ডেলিভারি বাড়বে, মানুষের চলাচল বাড়বে। এর সঙ্গে যদি অনিয়ন্ত্রিতভাবে অটোরিকশার সংখ্যা বাড়তে থাকে, তাহলে শহরের সড়ক ব্যবস্থাপনা একসময় ভেঙে পড়তে পারে।

তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার।

অটোরিকশা থাকবে কি থাকবে না—এই প্রশ্নের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো:

কতগুলো থাকবে, কোথায় চলবে, কারা চালাবে, কারা মালিক হবে এবং কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে?

আমাদের রাজনীতিকদেরও বুঝতে হবে, দরিদ্র মানুষের জীবিকার প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দরিদ্র মানুষের নামে একটি অকার্যকর ব্যবস্থা চিরস্থায়ী করে দেওয়াও দরিদ্র মানুষের জন্য কল্যাণকর নয়।

একজন অটোরিকশা চালক যেন সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন—এটি যেমন রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তেমনি একজন সাধারণ নাগরিক যেন নিরাপদ ও স্বাভাবিকভাবে সড়কে চলাচল করতে পারেন—সেটিও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

আমি মহিউদ্দিন আহমেদ মনে করি বা আমার ব্যক্তিগত মত হলো, অটোরিকশা বাংলাদেশের শত্রু নয়; কিন্তু অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা।

আর সবচেয়ে বড় বিপদ হলো—এই সমস্যাকে আমরা যদি শুধুমাত্র ‘গরিব মানুষের জীবিকা’ বনাম ‘সরকারের নিষেধাজ্ঞা’—এই দুই মেরুর মধ্যে আটকে ফেলি, তাহলে কোনো সমাধানই সম্ভব হবে না।

অটোরিকশার চালক দরিদ্র হতে পারেন, কিন্তু অটোরিকশার মালিক সবসময় দরিদ্র নন। এই পার্থক্যটি রাজনৈতিক আলোচনায় স্পষ্ট করতে হবে।

সরকারের উচিত আবেগের ভয়ে সিদ্ধান্ত না নেওয়া; বিরোধী দলের উচিত দরিদ্র মানুষের আবেগকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না করা; আর নাগরিক সমাজের উচিত সমস্যাটিকে বাস্তবতার আলোকে দেখা।

কারণ অটোরিকশা নিয়ে আজকের সিদ্ধান্ত শুধু আজকের যানজট কমাবে বা বাড়াবে না—এটি আগামী দশকের বাংলাদেশের নগর পরিবহন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ব্যবহার, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও প্রভাবিত করবে।

অটোরিকশাকে হয়তো একদিনে সরানো যাবে না। কিন্তু অটোরিকশা নিয়ে রাষ্ট্রের নীতিহীনতা একদিনে শেষ করা সম্ভব—যদি রাজনৈতিক সাহস থাকে।

আমার কাছে তাই অটোরিকশা শুধু একটি তিন চাকার যান নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনীতির একটি আয়না। এই আয়নায় আমরা যেমন দরিদ্র মানুষের জীবন দেখি, তেমনি দেখি রাজনৈতিক আবেগ, রাষ্ট্রের দুর্বলতা, নীতিনির্ধারণের সংকট এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য আমাদের প্রস্তুতির অভাব।

আজ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের সাহস না দেখালে, আগামীকাল অটোরিকশাই হয়তো আমাদের নগর ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে।

লেখক : মহিউদ্দিন আহমেদ, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status