|
বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি খাত: উন্মুক্ত হচ্ছে দেশের জ্বালানি বাজার
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি খাত: উন্মুক্ত হচ্ছে দেশের জ্বালানি বাজার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি খাতকে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত পেট্রোলিয়াম ব্যবসার সুযোগ দিয়ে একটি নতুন নীতিমালা তৈরির দায়িত্ব বিপিসিকে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি মজুত করার সক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং বেসরকারি খাতের বিদ্যমান অবকাঠামো ও বিনিয়োগের পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ টন পরিশোধিত ও অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করা হয়। এর সিংহভাগই বিপিসি নিয়ন্ত্রণ করে। কয়েকটি বেসরকারি রিফাইনারি অভ্যন্তরীণভাবে জ্বালানি উৎপাদন করলেও খুচরা বাজারে তা বিক্রির অনুমতি নেই—উৎপাদিত তেল বিপিসির কাছেই বিক্রি করতে হয়। শুধুমাত্র বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিজস্ব ফার্নেস ওয়েল আমদানি করতে পারে। বিপিসির এই দীর্ঘদিনের একচেটিয়া প্রভাবে তেল চুরি, অপচয় ও ভেজালের মতো অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। বেসরকারি খাত যুক্ত হলে একটি স্বচ্ছ, শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যেমনটি দেখা গেছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে, যেখানে ৯৮ শতাংশ চাহিদাই বেসরকারি খাত পূরণ করছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও আইইউবি-র উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিম ভারতের উদাহরণ টেনে বলেন, সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশগ্রহণে বাজার উদারীকরণ করা ইতিবাচক, তবে এর সুফল যেন সাধারণ ভোক্তারা পান, সেজন্য কঠোর সরকারি তদারকি প্রয়োজন। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই ব্যবস্থার পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব বিপিসির বদলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) হাতে দেওয়া উচিত। ইতোমধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপসহ অন্তত তিনটি প্রতিষ্ঠান জ্বালানি খাতে যুক্ত হতে আগ্রহ দেখিয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ‘গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি’ অনুষ্ঠিত
প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শরীয়তপুরে 'অতিথি ওভারভিউ প্রোগ্রাম' অনুষ্ঠিত
লাকসামে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন এবং দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখবে অতিথি ডট কম : লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল
