|
বাংলাদেশি ভক্তদের হতাশ না করার প্রতিশ্রুতি মধুমিতার
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বাংলাদেশি ভক্তদের হতাশ না করার প্রতিশ্রুতি মধুমিতার শনিবার (১ আগস্ট) ‘গুলশানের চামেলী’ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে অংশ নিয়েছেন নাম ভূমিকার অভিনেত্রী মধুমিতাও। এ সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, সবার এতো আগ্রহ, ভালোবাসা দেখে আমি অনেকটা ভয় পেয়ে গেছি, এটা তো অনেক বড় দায়িত্ব। ছবিটা মুক্তির পর আপনারা আগ্রহ নিয়ে দেখতে যাবেন। সো, আমি চাই না আপনারা কোনোভাবে নিরাশ হন। তিনি বলেন, এ চরিত্রটাকে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, এতে ভালো আর খারাপের মাঝে একটা সূক্ষ্ম ফারাক আছে, সেটা সামান্য এদিক-ওদিক হলেও অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। তাই, চরিত্রটা করা আমার জন্য অনেক বড় দায়িত্ব। আশা করি, আপনাদের নিরাশ করব না। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিক নাটক দিয়ে বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন মধুমিতা সরকার। তার অভিনীত ‘পাখি’ চরিত্র নিয়ে এখানেও দর্শকমনে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল। সেই ‘পাখি’ প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করছেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে মধুমিতার জানাশোনা কেমন? এখানে আসার আগে কি কিছুটা রিসার্চ করে এসেছেন? এমন এক প্রশ্নের বিপরীতে অভিনেত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে রিসার্চ করার কিছু নেই। এই দেশের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আজকের নয়। ইনস্টাগ্রামে আমার যে পেজ, সেটা একজন ভক্ত করে দিয়েছিলেন। তিনিও এই দেশেরই মানুষ। এরকম ভালোবাসা পেয়েছি বাংলাদেশ থেকে। বলতে গেলে, এখানেই মানুষ আমাকে বেশি চেনে।’ মধুমিতা জানান, বাংলাদেশের কাচ্চি বিরিয়ানি, ইলিশ পোলাও, চিকেন ঘি রোস্ট খেতে আগ্রহী তিনি। আর যাবার আগে অবশ্যই একবার এখানকার ফুচকাও চেখে দেখতে চান অভিনেত্রী। ঠিক কী কারণে ‘গুলশানের চামেলী’ হতে রাজি হলেন? মধুমিতার জবাব, যখন আমার কাছে প্রথমবার যোগাযোগ করা হলো, ‘গুলশানের চামেলী’ নামটা শুনেই ভাবছিলাম আমার চরিত্রটা ঠিক কেমন হবে! আমার কম্ফোর্ট জোনের কিনা। পরে গল্পটা পড়ার পর বুঝলাম, এরকম চরিত্র তো আগে করিনি। উনার ন্যারেটিভ শুনে উপলব্ধি করলাম, এ ছবির মাধ্যমেই বাংলাদেশে যাত্রা হওয়া দরকার। উল্লেখ্য, ‘গুলশানের চামেলী’ সিনেমায় মধুমিতা ছাড়াও থাকছেন আজমেরী হক বাঁধন, আমিন খান, ওমর সানী, আমিন খান, রোজিনা, আশীষ খন্দকার প্রমুখ। এ বছরের শেষ দিকে সিনেমাটির শুটিং হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
