|
নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের ২২ দিনেও সন্ধান মিলেনি ২সন্তানের জননীর, সন্তানদের আহাজারি
ত্বোহা হাসান ভূঁইয়া স্বাধীন, নাঙ্গলকোট
|
![]() নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের ২২ দিনেও সন্ধান মিলেনি ২সন্তানের জননীর, সন্তানদের আহাজারি নিখোঁজের পর থেকে রাত-দিন তার ৬ ও ৪ বছরের শিশু ফারিয়া ও ফারাবী মায়ের জন্য আহাজারি করে চলেছে। এ এঘটনায় নিখোঁজ ফারজানার শ্বাশুড়ি হালিমা আক্তার বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় প্রথমে অভিযোগ ও পরে সাধারণ ডায়েরি করে। কিন্তু এ পর্যন্ত প্রশাসন নিখোঁজ ফারজানার কোনো সন্ধান দিতে পারেনি। তবে উল্টো নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম ফারজানার দেবরকে থানায় একদিন আটক রেখে ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শাহপরান। ফারাজানার শ্বশুর আব্দুর রব ও শ্বাশুড়ি হালিমা বেগম বলেন, ফেনী সদর উপজেলার পশ্চিম ছনুয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বাড়ির প্রবাসী আবুল বাশারের প্রথম স্ত্রী'র কন্যা ফারজানা আক্তারকে ৮বছর পূর্বে আমার ছেলে বিবাহ করে। ছেলে বিদেশ যাওয়ার পর থেকে ফারজানা ফোনে অতিরিক্ত কথা বলা শুরু করে। এ নিয়ে আমরা তাকে অনেকবার সাবধান করি। সর্বশেষ গত কিছুদিন পূর্বে ফারজানা গোসলখানায় গোসল করা অবস্থায় পাশের বাড়ির একছেলে টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে দেখাকে কেন্দ্র করে ওই ছেলের পরিবার ও ফারজানার বাবার বাড়ির লোকজন-সহ সালিসি বৈঠক বসে উভয় জনকে সাবধান করা হয়। কিন্তু ওই সালিসি বৈঠকের মাস না যেতেই ফারজানা গভীর রাতে ঘর থেকে নিখোঁজ। এখনো পর্যন্ত আমরা তার কোন সন্ধান পাচ্ছি না। বাচ্চা দু'টি প্রতিদিন রাতে মায়ের জন্য কান্না করে। শিশু দুটির কান্নায় আমরা বড় অসহায় হয়ে থানায় গিয়েও কোন সন্ধান পাচ্ছি না। আমরা প্রশাসনের কাছে তার সন্ধান দাবি করছি। ফারজানার দেবর শাহপরান বলেন, আমরা অবুঝ শিশু দুটিকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। তারা সারাদিন মা-মা করে কান্নাকাটি করে। আবার পুলিশ আমাকে থানায় নিয়েও বাড়িতে এসে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। আমরা আমাদের ভাবিকে তার ছেলেমেয়েদের কাছে এনে দেওয়ার জোর দাবি জানাই এবং এই ঘটনার সাথে কেউ জড়িত থাকলে তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাই। নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ নারীর বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে। তার কোনো মোবাইল নাম্বার কেউ দিতে না পারায় বিষয়টি একটু জটিল হয়ে গেছে। এখানে নিখোঁজের শ্বশুরের পরিবার যাকে সন্ধেহ করছে সে বাড়িতে আছে, আবার নিখোঁজের বাবার পরিবার দেবরকে সন্দেহ করছে সেও বাড়িতে অবস্থান করছে। আমার ধারণা তৃতীয় কারও সাথে সে টিকটকের সম্পর্কের কারণে চলে যেতে পারে। তবে নিখোঁজ নারীর সন্ধান পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
