ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Tuesday, 30 June, 2026, 10:53 AM

জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ

জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে আজ। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করবেন। গত ১৪ মে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। সম্প্রতি রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করে দেয় ট্রাইব্যুনাল। সেই মোতাবেক ধার্যকৃত দিনে আজ এ রায় ঘোষিত হওয়ার কথা।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইনুর বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। ফরমাল চার্জে ইনু নিজের নির্বাচনি এলাকা কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যাসহ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় উসকানি দেওয়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে থেকে আন্দোলনকারীদের দমনে গুলির নির্দেশ দেওয়া, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলনকারীদের গুলির নির্দেশ দেওয়া ইত্যাদি অপরাধের বর্ণনা তুলে ধরা হয়।

এতে বলা হয়, ১৪ দলীয় জোটের শরীক দল জাসদের প্রধান হিসেবে ইনু উর্ধ্বতন অবস্থানে থেকে গত বছরের ১৮ জুলাই ভারতের মুম্বাই ভিত্তিক গণমাধ্যম মিরর নাও-এ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে এবং আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আন্দোলনকারীদের বিএনপি, জামায়াত, সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িক ট্যাগ প্রদান করে এবং তাদের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগের উসকানি প্রদান করেন।

 ১৯ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৪ দলীয় জোটের সভায় আন্দোলন দমনে কারফিউ জারি এবং শ্যুট অ্যাট সাইট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার। ইনু সরকারের অংশীদার হিসেবে তার ঊর্ধ্বতন অবস্থান থেকে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশ, প্ররোচনা, উসকানি দিয়েছেন এবং সহায়তা করেছেন। ২০ জুলাই তার নিজ জেলা কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন দিয়ে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা প্রণয়ন ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে পূর্বের নির্যাতনকে অনুমোদন করেন। 

নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ সুপার তার অধীনস্ত পুলিশ বাহিনী এবং ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়ে সাত জনকে হত্যা করে।

এছাড়া ইনু সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, আন্দোলনকারীদের ঘেরাও করে ছত্রীসেনা নামিয়ে হেলিকপটার ব্যবহার করে তাদেরকে গুলি ও বোম্বিং করে হত্যা, আটক ও নির্যাতনের ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা, উসকানি প্রদান করেন। এরই অংশ হিসেবে ২০ জুলাই আন্দোলন দমনের এসব পদ্ধতি অনুমোদন করেন শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সাক্ষী দিয়েছেন ১০ জন। ইনুর পক্ষে সাফাই সাক্ষী দিয়েছেন দুই জন। গত বছরের ২৫ মে ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা। ঐবছরের ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে ইনুর বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status