|
বাংলাদেশের ২৩ বিলিয়ন ডলারের টেক্সটাইলখাত কি ধসের মুখে?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ছবি: সংগৃহীত কয়েক বছর ধরে চলমান জ্বালানি সংকট, গ্যাসের আকাশচুম্বী দাম, উচ্চ সুদের হার, সুতা আমদানিতে অতিরিক্ত অপচয় হারের (ওয়েস্টেজ রেট) সুবিধা এবং নগদ প্রণোদনা মারাত্মকভাবে কমানোর ফলে—অনেক টেক্সটাইল মিল ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে অথবা উৎপাদন সক্ষমতার চেয়ে অনেক নিচে চলছে। শিল্পখাতটির ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, চলতি মাসের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে কাঁচামাল আমদানিতে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের (ভ্যালু অ্যাডিশন) বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়ে এই খাতকে আরেকটি বড় ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। অনেক টেক্সটাইল মিল এখন বন্ধ হয়ে যাবে, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। চলতি মাসে সরকারের একটি আদেশের কথা উল্লেখ করে তিনি এই মন্তব্য করেন, যেখানে আমদানিকৃত সুতা দিয়ে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের নিয়মটি বাতিল করা হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু হওয়া এই নিয়মটি তৈরি পোশাক, চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, ইস্পাত, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতের রপ্তানিকারকদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। এই নিয়মটি তুলে নেওয়াকে বিপুল জ্বালানি-নির্ভর এই খাতের জন্য সর্বশেষ বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যে খাতটি লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে ধরে রেখেছে। বিটিএমএ-র সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, স্থানীয় মূল্য সংযোজনের নিয়মটি বাতিল করার ফলে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার অপব্যবহার আরও বেড়ে যেতে পারে, যা দেশীয় মিলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা টিকিয়ে রাখাকে আরও কঠিন করে তুলবে। এই সিদ্ধান্ত আমাদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে। এটি আমাদের কফিনে শেষ পেরেক, বলেন রাসেল। তাঁর মতে, একটি টেক্সটাইল মিলকে লাভজনক ও টেকসই রাখতে হলে—সেটিকে প্রায় ৯৫ শতাংশ উৎপাদন সক্ষমতায় চালাতে হয়। কিন্তু, চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মিলগুলোর ব্যবহারিক সক্ষমতা মাত্র ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে, যা অনেক মিলকে চরম আর্থিক সংকটের মুখে ফেলেছে। এই শিল্পের নেতৃবৃন্দ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে এভাবে সহায়তা দেওয়ার ফলে গত কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পগুলো—ধীরে ধীরে ভারত থেকে আমদানিকৃত সুতা এবং চীন থেকে আসা ফ্রেব্রিক বা কাপড়ের কাছে বাজার হারাচ্ছে। এর ফলে এই খাতের স্থানীয় মূল্য সংযোজনের হার ক্রমাগত কমছে। জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে স্থানীয় মূল্য সংযোজন ছিল মাত্র ৬১ শতাংশ, যেখানে আগের প্রান্তিকেও ছিল ৬৪ শতাংশের উপরে, আর ২০২২-২৩ অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে এর হার ছিল প্রায় ৬৮ শতাংশ। বিটিএমএ-র পরিচালক শহীদ আলম বলেন, পোশাক প্রস্তুতকারকরা যদি আমাদের তৈরি ফেব্রিক কিনতেন, তাহলে মূল্য সংযোজনের হার ৭০ শতাংশের বেশি হতো। বিটিএমএ নেতারা কর নির্ধারণের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন। তারা উল্লেখ করেন, যেখানে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকরা মাত্র ১২ শতাংশ করপোরেট কর দেন, সেখানে টেক্সটাইল মিলগুলোকে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। জ্বালানি সংকট ও গ্যাসের দামের ধাক্কা টেক্সটাইল মিল মালিকদের মতে, প্রায় পাঁচ বছর আগে তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে এই খাতের দুর্দশা শুরু হয়েছিল, যার কারণে তারা মিলগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা বা দিনের পর দিন বন্ধ রাখতে বাধ্য হতে হন। এরপর ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে শিল্পখাতের জন্য গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিট ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন কারখানা এবং সম্প্রসারণে ইচ্ছুক বিদ্যমান কারখানাগুলোর জন্য গ্যাসের দাম আরও বাড়িয়ে প্রতি ইউনিট ৪০ টাকা নির্ধারণ করে। মিল মালিকদের অভিযোগ, এই চড়া দাম দিয়েও তারা প্রায়ই গ্যাস পাচ্ছেন না, যার ফলে বাধ্য হয়ে তাদের আরও ব্যয়বহুল ডিজেল বা ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে। এনজেড টেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিটিএমএ-র সাবেক সহ-সভাপতি সালেউধ জামান খান বলেন, কেবল গ্যাস সংকটের কারণেই গত পাঁচ বছরে প্রায় ১৫০টি টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে বাজেট-উত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমএ সভাপতি রাসেল জানান, ২০১৯ সাল থেকে এপর্যন্ত ২৩৪টি টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, যার মধ্যে তাঁর নিজেরই পাঁচটি কারখানা রয়েছে। পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। আমরা এমন এক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছি— যেখান থেকে আর কোনোদিন ফিরে আসা সম্ভব হবে না, বলেন তিনি। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকার যদি টেক্সটাইল খাতকে বাঁচাতে চায়, তাহলে সবার আগে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সুদের হার ও আমদানিকৃত সুতার অপচয় হার ব্যাংকার ও শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে সুদের হার ১৪-১৫ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে, যা মেয়াদি ঋণ নেওয়া মিলগুলোকে চরম আর্থিক সংকটে ফেলেছে। অনেক মিল মালিক ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় খেলাপি হয়ে পড়েছেন, যার ফলে কার্যক্রম চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন পাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ১২-১৪ শতাংশ সুদের হারের কারণে মেয়াদি ঋণ নেওয়া কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি ভুগছে। অনেক মিল চলতি মূলধনের তীব্র সংকটেও ভুগছে," বলেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। চলতি মূলধন দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর অনীহার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, অনেক মিল মালিক তাদের এলসি বা ঋণপত্র-র বিপরীতে সময়মতো পাওনা পরিশোধ করতে পারেননি, যার ফলে ব্যাংকগুলো এই ঋণগ্রহীতাদের নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এছাড়া ২০২২ সালের একটি নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে, পোশাক উৎপাদনের জন্য শুল্কমুক্ত সুতা আমদানির ক্ষেত্রে অনুমোদিত অপচয়ের হার (ওয়েস্টেজ রেট) ১৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩২ শতাংশ করা হয়। এর ফলে পোশাক প্রস্তুতকারকরা বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার আওতায়, শুল্ক ছাড়াই তাদের প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেশি সুতা আমদানি করতে পারছেন। অথচ সুতা উৎপাদনকারী বা স্পিনিং মিল মালিকদের মতে, এই অপচয়ের হার সর্বোচ্চ ১২ থেকে ১৪ শতাংশ হওয়া উচিত। টেক্সটাইল মিল মালিকদের দাবি, এই নিয়মের সুযোগ নিয়ে আমদানিকারকরা বিপুল পরিমাণ সুতা দেশে নিয়ে আসছেন, যার বড় অংশই আসছে ভারত থেকে। পরবর্তীতে সেই উদ্বৃত্ত সুতা দেশীয় বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলোর ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। শহীদ আলম বলেন, পোশাক শিল্পে এখন আধুনিক ও দক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায়— অনুমোদিত অপচয় হার কমিয়ে আনা উচিত। ওয়েস্টেজ রেট ৩২ শতাংশ নয়, বরং ৫ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে হওয়া উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই অতিরিক্ত অপচয় সুবিধার অপব্যবহার করে উদ্বৃত্ত ফেব্রিকও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এক ট্রাক ফেব্রিক স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে তারা ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। খোরশেদ আলম জানান, ২০১৭ সালে যখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ছিল, তখন টেক্সটাইল মিলগুলো দেশীয় বাজারে ১২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিক্রি করেছিল। জনসংখ্যা বাড়লেও— গত বছর দেশীয় বাজারে বিক্রির পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮ বিলিয়ন ডলারে। অথচ এটি অন্তত ১৩ বিলিয়ন ডলার হওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মনে করেন। শুল্কমুক্ত সুতা ও কাপড় আমদানি করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করার কারণে, আমাদের দেশীয় বাজারে বিক্রির পরিমাণ এখন ৫ বিলিয়ন ডলার কমে গেছে, বলেন তিনি। ভারত সুতা ডাম্পিং করছে সালেউধ জামান খান বলেন, ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সুতার দাম প্রায় একই—প্রতি কেজি প্রায় ৩ ডলার। তবে বিদ্যুৎ ভর্তুকি এবং প্রায় ১৫-২০ রুপির সমপরিমাণ ২ শতাংশ ভ্যাট রেয়াতসহ – ভারত সরকারের বিভিন্ন সাবসিডির কারণে ভারতীয় মিলগুলো বাংলাদেশে প্রায় ২.৯০ ডলার প্রতি কেজিতে সুতা বিক্রি করতে পারছে। ভারত গত চার-পাঁচ বছর ধরে এখানে সুতা ডাম্পিং করছে। এর ফলে অনেক স্থানীয় স্পিনার হয় তাদের সুতা বিক্রি করতে পারছে না, অথবা লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে, বলেন তিনি। এই উদ্যোক্তা আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এখন ভারতীয় সুতার সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারে পরিণত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশটি তাদের মোট সুতা উৎপাদনের ৪০ শতাংশেরও বেশি বাংলাদেশে বিক্রি করছে, যার মূল্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানিকারক থেকে আমদানিকারক টেক্সটাইল খাতের পরামর্শক এ কে আজাদ বলেন, বাংলাদেশ এক সময় তুরস্কে ফেব্রিক বা কাপড় রপ্তানি করত, অথচ এখন প্রতি বছর ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের ফেব্রিক আমদানি করতে হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বেক্সিমকো, মন্নু এবং সিনহার মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপগুলো বিগত বছরগুলোতে আধুনিক ফেব্রিক উৎপাদন কারখানা গড়ে তুলতে বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, যার মধ্যে অনেকগুলোই ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ থেকে ফেব্রিকের আমদানি বাড়তে দেখে তুরস্ক তাদের দেশীয় শিল্পকে রক্ষা করতে আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশ গত কয়েক দশক ধরে সুতা ও ফেব্রিক শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দিয়ে রেখেছে, বলেন এ কে আজাদ। টেক্সটাইল খাতে কেন আসছে না বিদেশি বিনিয়োগ বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির-ও সভাপতি খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, চীন থেকে বাংলাদেশ যেহেতু প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ফেব্রিক আমদানি করে, তাই অনেক চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তবে বাজার মূল্যায়ন বা মার্কেট অ্যাসেসমেন্ট করার পর— অনেক সম্ভাব্য চীনা বিনিয়োগকারী শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে গেছেন। তারা আমাদের বলেছেন, বাংলাদেশে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে, বলেন তিনি। খোরশেদ আরও বলেন, বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ কাপড় ও তৈরি পোশাক বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা বৈধভাবে আমদানিকৃত ফেব্রিকের বাজার সম্ভাবনাকে নষ্ট করছে—এই বিষয়েও চীনা বিনিয়োগকারীরা অবগত। এর ফলে তারা আশঙ্কা করছেন যে, তাদের উৎপাদিত পণ্য স্থানীয় বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে না এবং পর্যাপ্ত ক্রেতা পাবে না। বিটিএমএ-র সদস্যভুক্ত মিলের সংখ্যা ১,৭৮০টি। এর মধ্যে ৫১৯টি স্পিনিং মিল সুতা তৈরি করে এবং ৯৩৮টি উইভিং মিল ফেব্রিক বা কাপড় উৎপাদন করে। এছাড়া ৩২৩টি ডাইং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং মিল রয়েছে। বিটিএমএ-র তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পগুলোতে প্রায় ৪৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে, যার মধ্যে ৬০ শতাংশই নারী।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
নাঙ্গলকোটে মধ্য বয়সী এক লম্পটের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
