|
ছয় শিশুর মৃত্যু: আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষের জবাব ‘সন্তোষজনক নয়’
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ছয় শিশুর মৃত্যু: আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষের জবাব ‘সন্তোষজনক নয়’ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজের জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। বরং চার থেকে পাঁচ পাতা বিভিন্ন অযথা তথ্য দিয়েছে যে, তারা ইচ্ছে করে এমন কিছু করেনি। যা লিখেছে তাও অস্পষ্ট। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজ সংসদের ফাঁকে এক সময় বসে তাদের বিরুদ্ধে সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তবে এখুনি সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। সিন্ধান্ত গ্রহণের পর জানানো হবে। ঈদের আগের দিন বুধবার সকালে মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। গেল ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। এর পরই ওই হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তিন দিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয় নোটিসে। কিন্তু নোটিসের জবাব দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে ৪৮ ঘণ্টা সময় চায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সে অনুযায়ী মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের নোটিসের জবাব দেওয়ার কথা। এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির রোববার সাংবাদিকদের বলেছেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ আলোচনায় এই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেক পরিবারকে ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ ও হাসপাতালের আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় সরকার আইনজীবী নিয়োগ করে সঠিকভাবে প্রতিবেদন এবং সিদ্ধান্তের বিষয়ে সুপারিশ করবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
