|
দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জে দিন-রাত খাটছেন প্রবীণ-নবীন কারিগরেরা
শহীদুল ইসলাম শরীফ
|
![]() দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জে দিন-রাত খাটছেন প্রবীণ-নবীন কারিগরেরা সাধারণত বাজারে অনেক জিনিস পিস হিসেবে বিক্রি হলেও কামারদের তৈরি এই দেশীয় লোহার হাতিয়ারগুলোর বেচাকেনায় রয়েছে ভিন্নতা। স্থানীয় দোহারের নতুন বাজারের কারিগর সঞ্জিত কর্মকার (৪০) জানান, কোরবানিদাতাদের পছন্দের এসব দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি মূলত প্রতি কেজি হিসেবে বিক্রি করা হয়। লোহা ও কাজের মানভেদে বর্তমানে প্রতি কেজি সামগ্রী ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কামারশালায় সাধারণত দুই ধরনের লোহা ব্যবহৃত হয় স্প্রিং লোহা (পাকা লোহা) ও কাঁচা লোহা। এর মধ্যে গাড়ি বা ভারী যানের স্প্রিং লোহা দিয়ে তৈরি উপকরণের মান অনেক ভালো এবং টেকসই হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে এর দাম ও চাহিদাও বেশি। প্রতি বছর কোরবানির আগে পশুদাতারা তাদের সুবিধেমতো নতুন সামগ্রী ওজন মেপে ক্রয় করেন অথবা ঘরের পুরোনো জিনিসগুলো মেরামত করে নেন। একই উপজেলার জয়পাড়া বজারর অন্য এক কামারশালার ৬৫ বছর বয়সী প্রবীণ কারিগর প্রদীপ কপালে জমে থাকা ঘাম মুছতে মুছতে বলেন, "ঈদের আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি, এখন আমাদের দম ফেলার সময় নেই। ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কয়লার আগুনের সামনে বসে থাকতে হয়। এই বয়সে এতো কষ্ট শরীর সইতে চায় না, তাও বছরের এই একটা সময়ে একটু বাড়তি আয়ের আশায় সব কষ্ট ভুলে যাই।" আধুনিক যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে এবং বাজারে বিদেশি তৈরি সস্তা স্টিলের রেডিমেড সামগ্রীর ভিড়ে কামারদের এই দেশীয় ঐতিহ্যবাহী শিল্পটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। কয়লা, লোহা ও হাপরের দাম দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে বছরের বাকি সময়টা অলস বসে থেকে অনেক কারিগরকে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়। লাভ না থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে পূর্বপুরুষের এই আদি পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আবিরার দাবিতে লোহালিয়া নদীতে বগা সেতু, আগামী বছরের শুরুতেই কাজ শুরুর ঘোষণা
দেবদাস-এর গানের শুটিংয়ে টানা ১৩ ঘণ্টা নেচেছিলেন অন্তঃসত্ত্বা মাধুরী!
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে জামালপুর সমিতি ঢাকার সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা গ্রামের ফরেস্টের গুলিতে জেলে হত্যাকারীর শাস্তি হবেই: বন প্রতিমন্ত্রী
