|
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠিত
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর মা বেগম জেবুন্নেছা এবং গরবিনী মা সম্মাননা পাওয়া ফাল্গুনী কুন্ডুর মৃত্যুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, “একটি শিশুর প্রথম পাঠশালা তার মা। জীবনের কঠিন সময়ে শেষ আশ্রয়স্থলও মা-ই। মায়ের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগের প্রতিদান কখনো দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের দায়িত্ব সারাজীবন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাঁকে আগলে রাখা।” এ সময় উন্নত চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি এমন মানবিক ও সামাজিক আয়োজনের জন্য ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি এবং ভবিষ্যতেও এ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও বিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্ত্তী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘গরবিনী মা’ সম্মাননার প্রধান উদ্যোক্তা ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা দেশের ১১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির মায়েদের ‘গরবিনী মা-২০২৬’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা পাওয়া মায়েদের মধ্যে ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের মা বেগম ফরহাত ইসলাম, বিচারক মোহা. রকিবুল ইসলামের মা বেগম রোকেয়া রশীদ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামের মা মোসা. রাজিফা আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তানিয়া হকের মা সেলিমা হক, সাংবাদিক এ কে এম মনজুরুল ইসলামের মা রাজিয়া আহমেদ এবং সংগীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল-এর মা সায়মা মনির মিনুসহ আরও অনেকে। এ ছাড়া অভিনয় ক্যাটাগরিতে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ-এর মা সৈয়দা শারমিন এবং অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ-এর মা ফাতেমা আক্তার কাজল সম্মাননা লাভ করেন। অনুষ্ঠানে গরবিনী মায়েদের উত্তরীয় ও মেডেল পরিয়ে দেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও ইউনিভার্সেল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। পরে সম্মাননা পাওয়া সন্তানরা তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। আয়োজকরা জানান, হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তীর মায়ের সুস্থতা কামনা থেকেই ২০১৪ সালে এই আয়োজনের সূচনা হয়। শুরুতে পাঁচজন মাকে সম্মাননা দেওয়া হলেও এখন এটি একটি বৃহৎ সামাজিক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত মায়েদের ক্রেস্ট, মেডেল, ফ্রি মাস্টার হেলথ চেকআপ প্যাকেজ, উডেন পিকচার ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংবাদ পাঠিকা বিপাশা মজুমদার।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
