|
বরিশালে টানা দুইদিনের বর্ষণে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বরিশালে টানা দুইদিনের বর্ষণে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে বরিশাল জেলাজুড়ে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে গত দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে কৃষকের ক্ষেতে কাটা ধানগুলো পানিতে তলিয়ে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভারি বর্ষণের সাথে বজ্রপাত হওয়ায় কৃষকেরা জমিতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। সূত্রমতে, গত দুইদিন ধরে ভারি বর্ষণে বোরো ক্ষেতে পানি জমে গেছে। এরসাথে দমকা হাওয়ায় জেলার অধিকাংশ উপজেলার পাকা বোরো ধান নুয়ে পরায় পাকা ধানগুলো পানির সাথে মিশে নস্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষকেরা জানিয়েছেন, বৃষ্টির সাথে ঘণ ঘণ বজ্রপাত হওয়ায় অনেকেই ঘরের বাহিরে বের হতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সময়ের অতিরিক্ত বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ও সবজি ক্ষেতে পানি জমে থাকলে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সূত্রমতে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় টানা দুইদিনের ভাড়ি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এরমধ্যে যেসব কৃষকরা ধান কাটার পর জমিতে রেখেছিলেন তাদের সেই কাটা ধান এখন বৃষ্টির পানির নিচে থাকলেও শ্রমিক সংকট ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তা ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষকের চোখের সামনেই ডুবে রয়েছে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে ফসল ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ থেকে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ থাকলেও শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পরেছে। অপরদিকে টানা বর্ষণ ও দমকা হাওয়ার কারণে অধিকাংশ বরিশালের উপজেলায় গাছপালা ভেঙে পরায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবরও পাওয়া গেছে। যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি ঘণ ঘণ বজ্রপাতের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং নিরাপদস্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আরও কয়েকদিন এমন বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। তাই জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ডিআরইউর আয়োজনে এবং মৌসুমী ইন্ডষ্ট্রিজ লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ
স্বর্গের পাথর ও সোনার খনি: নিয়ন্ত্রণ কখনো সেনাবাহিনীর কখনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর, নেপথ্যে কী?
১২ হাজার টন কমলার খোসা ফেলা হয়েছিল জঙ্গলে, ১৬ বছর পর সেখানে কী হলো?
ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, আর কী যুক্ত হলো, কী বাদ গেল?
