|
বাংলাদেশের জন্য আইএমএফ'র ঋণের পরবর্তী কিস্তি নিয়ে 'অনিশ্চয়তা' কেন?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() বাংলাদেশের জন্য আইএমএফ'র ঋণের পরবর্তী কিস্তি নিয়ে 'অনিশ্চয়তা' কেন? তবে অর্থনীতিবিদদের কেউ কেউ মনে করছেন, মূলত কম রাজস্ব আদায় ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণেই আইএমএফ এর ঋণ নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী জুনের মধ্যে আইএমএফ'র কাছ থেকে এক দশমিক তিন বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার কথা ছিল। এ আইএমএফ এর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আইএমএফ'র সাথে চলতি সপ্তাহে বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু ঋণের অর্থছাড় নিয়ে যে সংকট ছিল তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আছে। তাদের উপস্থিতিতে শুক্রবার সেখানে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইএমএফর সদর দপ্তরে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী মি. চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঋণের কিস্তি ছাড় নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আইএমএফ। তিনি বলেছেন, অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই কর্মসূচির আওতায় ঋণের কিস্তি পেতে যেসব শর্ত ছিল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একদিকে তা যেমন বাস্তবায়ন করা হয়নি, উল্টো ব্যাংক অধ্যাদেশে সংশোধন আনাসহ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করেছে যে কারণে ঋণের কিস্তি পাওয়া নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। আবার, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং জানিয়েছে, কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত 'আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে'- এমন খবর 'সম্পূর্ণ অসত্য'। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
