|
শ্রীপুরে নবম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ: ৭ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ভিকটিম; ‘কোর্ট ম্যারেজ’ দাবি তরুণীর
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() শ্রীপুরে নবম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ: ৭ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ভিকটিম; ‘কোর্ট ম্যারেজ’ দাবি তরুণীর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মোছা. ফারিহা (১৬) নামে এক শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হয়। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকার প্রশিকা মোড়ের একটি বাসায় থেকে স্থানীয় মাওনা তাহফিজুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার বীরখারুয়া গ্রামে। তার বাবা হাদিউল ইসলাম স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। অভিযোগে বলা হয়, শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকা থেকে মো. আবিদ (২১) ও তার সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে। পরে অপহরণকারীর পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হলে ১৫ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে আবিদ ভিকটিমকে তার পিতার বাড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় একই দিন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আবিদ ও তার সহযোগীরা আবারও ভিকটিমকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজনদের মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। ![]() শ্রীপুরে নবম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ: ৭ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ভিকটিম; ‘কোর্ট ম্যারেজ’ দাবি তরুণীর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই মো. লাল চান মিয়া এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, গাজীপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও শ্রীপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে এজাহারভুক্ত দুইজনসহ মোট সাতজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের অভিযানে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে শ্রীপুর থানার নয়নপুর এমসি বাজার এলাকা থেকে অপহৃত ছাত্রী ফারিহাকে উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় মূল আসামি আবিদসহ কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে যায়। ![]() শ্রীপুরে নবম শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ: ৭ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ভিকটিম; ‘কোর্ট ম্যারেজ’ দাবি তরুণীর তবে এ ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে ভিকটিমের বক্তব্যে। স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বার্তায় ওই তরুণী দাবি করেছেন, তিনি অভিযুক্ত আবিদের সঙ্গে কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তার দাবি, পরিবারের কাছে বিষয়টি মেনে নেওয়ার অনুরোধ করায় তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে অভিযুক্তরা বাড়িতে গিয়ে তাকে স্ত্রী দাবি করে দরজা ভাঙচুর করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে আরো জানতে এসআই লালচান ও ওসি নাছির আহমেদের মুঠোফোনে কল করে এবং হোয়াটসএ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন সাড়া মেলেনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
