|
গোখাদ্য সংকটে বরিশালের গ্রামাঞ্চল: চড়া দামে নাড়া কিনে গবাদিপশু লালনে হিমশিম প্রান্তীক খামারি গন
আলতাফ হোসেন অনিক
|
![]() গোখাদ্য সংকটে বরিশালের গ্রামাঞ্চল: চড়া দামে নাড়া কিনে গবাদিপশু লালনে হিমশিম প্রান্তীক খামারি গন স্থানীয় খামারিরা জানান, আগে আশপাশের এলাকা থেকেই সহজে খড় সংগ্রহ করা গেলেও বর্তমানে তা প্রায় দুর্লভ হয়ে উঠেছে। ফলে কয়েকগুণ বেশি দামে গোখাদ্য কিনতে হচ্ছে, যা তাদের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে গরু পালনই লোকসানের মুখে পড়ছে। এ সুযোগে কুটো ব্যবসায়ীরা পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন জেলা থেকে খড় ও নাড়া সংগ্রহ করে সাতলা, বাগধা, পয়সার হাটসহ বিভিন্ন হাটবাজারে চড়া দামে বিক্রি করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করছেন, যার চাপ গিয়ে পড়ছে সাধারণ খামারিদের ওপর। সাতলা ইউনিয়নের এক খামারি বলেন, একসময় যেখানে কম দামে গোখাদ্য পাওয়া যেত, এখন সেখানে দ্বিগুণ-তিনগুণ দাম দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে কুরো ভুশী সহ সকল প্রকার পুটিন যুক্ত খাবারের অনেক দাম। এই অবস্থায় গরু পালন চালিয়ে যাওয়া আমাদে পক্ষে খুবই কষ্টকর। বিশেষজ্ঞদের মতে, গোখাদ্য সংরক্ষণ, সাইলেজ পদ্ধতি ও বিকল্প খাদ্য ব্যবহারে খামারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে এ সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব। পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে গোখাদ্য ব্যবস্থাপনা ও বাজার তদারকি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় খামারি ও কৃষকেরা। গোখাদ্য সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে বরিশাল অঞ্চলে গবাদিপশু পালন ও দুগ্ধ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
