|
সুবহে সাদিক কী, কখন শুরু হয়?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() সুবহে সাদিক কী, কখন শুরু হয়? সুবহে সাদিক ও ‘তুলুয়ে শামস’ (সূর্যোদয়) উভয়টিই প্রকৃতির প্রকাশ্য আলামত, যার ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব মুসলিম সমাজ সেহরি ও নামাজ সম্পন্ন করে। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতে, সূর্য যখন দিগন্তের ১৮ ডিগ্রি নিচে অবস্থান করে, তখন থেকে সুবহে সাদিক বা ফজরের আলো শুরু হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘টুইলাইট’ (Twilight), আরবিতে বলা হয় ‘শাফাক’ এবং বাংলায় বলা হয় ‘লালিমা’। টুইলাইটের তিনটি স্তর রয়েছে: সূর্য দিগন্তের ৬ ডিগ্রি নিচে থাকলে তাকে সিভিল টুইলাইট, ১২ ডিগ্রি নিচে থাকলে নটিক্যাল টুইলাইট এবং ১৮ ডিগ্রি নিচে থাকলে তাকে অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল টুইলাইট বলা হয়। যদিও শরিয়ত ইবাদতের সময়কে কোনো নির্দিষ্ট ডিগ্রির সঙ্গে যুক্ত করেনি বরং দৃশ্যমান আলামত বা পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, তবু জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব যদি বাস্তব পর্যবেক্ষণের সঙ্গে মিলে যায় এবং এর শুদ্ধাশুদ্ধির ব্যাপারে আস্থাশীল হওয়া যায়, তবে সেই হিসাব অনুযায়ী সময়সূচি তৈরি করতে কোনো বাধা নেই। প্রাচীন কিছু লেখায় সুবহে সাদিক ১৫ ডিগ্রিতে হওয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও আধুনিক গবেষণায় ১৮ ডিগ্রির হিসাবটিই বেশি আলোচিত। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দাবি, কেবল তখনই গ্রহণযোগ্য, যখন তা শরিয়ত নির্ধারিত প্রকাশ্য আলামতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সুবহে সাদিক হলো সেই ক্ষীণ আলো, যা সেহরির সমাপ্তি ও ফজরের সূচনার এক মহান সংকেত। সুবহে সাদিকের ঠিক শুরুতেই ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং এই সময়কাল সূর্যোদয়ের সূচনা মুহূর্ত পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ আদায় করা জায়েজ নয়। (সহিহ বুখারি: ৫৭৯) |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
