ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
স্কোপাস ২০২৫ র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরা তালিকায় বাকৃবির ১০জন গবেষক
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 10 January, 2026, 1:24 PM

স্কোপাস ২০২৫ র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরা তালিকায় বাকৃবির ১০জন গবেষক

স্কোপাস ২০২৫ র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরা তালিকায় বাকৃবির ১০জন গবেষক

গবেষকদের গবেষণাপত্র মানসম্মত জার্নালে প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর র‍্যাংকিং প্রকাশ করে স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক মানসম্মত জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাকৃবির ৯ শিক্ষক ও এক সাবেক শিক্ষার্থী। শুক্রবার (৯জানুয়ারি) এ তথ্যটি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন।

জানা যায়, স্কোপাস ও ওয়েব অব সায়েন্স মূলত বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলোর গুণগত মান যাচাই করে সেগুলোকে ইনডেক্সভুক্ত করে। এসব ডাটাবেজে প্রকাশিত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোপাস ডাটাবেজে প্রতিটি গবেষকের জন্য একটি স্বতন্ত্র স্কোপাস আইডি তৈরি করা হয়। যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট বছরে একজন গবেষকের প্রকাশনা ও গবেষণা কার্যক্রমের নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষিত থাকে। গবেষকদের গবেষণাপত্র মানসম্মত জার্নালে প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর র‌্যাংকিং প্রকাশ করে থাকে স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল।

বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং নির্ধারণে স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‌্যাংকিং সিস্টেমে মোট স্কোরের অর্ধেকেরও বেশি তথ্য সরাসরি স্কোপাস ডাটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

 স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল অনুযায়ী, এ বছর বাকৃবির সেরা গবেষক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক( ২০২৫ সালে তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২৮)।এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন।

তালিকার বাকি গবেষকেরা হলেন-কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহা, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা এবং সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম এবং একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম,এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান।

তালিকায় শীর্ষস্থানে থাকা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, 'একজন গবেষকের ২০-২৫ বছরের নিরলস পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমেই এমন সাফল্য সম্ভব।বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং নির্ধারণে স্কোপাস ইনডেক্স প্রকাশনা বেশ প্রভাব বিস্তার করে।তাই গবেষণার মান উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। '

তালিকায় স্থান অর্জনে অনুভূতি প্রকাশে অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক এবং গবেষক হিসেবে একাডেমিক কাজের পাশাপাশি গবেষণা করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বছর শেষে বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা এবং প্যাটেন্ট একজন গবেষকের সাফল্যের অন্যতম মানদণ্ড। সেই দিক থেকে, বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০-এর অধিক শিক্ষকের মধ্যে স্কোপাস-ভিত্তিক জার্নালে ২০২৫ সালের প্রকাশনার সংখ্যা অনুযায়ী তৃতীয় স্থানে থাকা আমার জন্য খুবই আনন্দের।’

উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালে এই তালিকায় ছিলো বাকৃবির নয়জন শিক্ষক ও একজন সাবেক শিক্ষার্থী। এবছরের তালিকায় বেশ কয়েককজন গবেষকের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। নতুন করে স্থান করে নিয়েছে ৪ জন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status