|
চাকরি পেতে ভরসা এআই, প্রার্থী বাছাইয়েও এআই; দায় আসলে কার?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() চাকরি পেতে ভরসা এআই, প্রার্থী বাছাইয়েও এআই; দায় আসলে কার? সেপ্টেম্বরে টিকটকে পোস্ট করা একটি ভিডিওর শুরুর ক্যাপশনে লেখা ছিল এই বাক্যটি, সঙ্গে খুলি ও ক্রস হাড়ের ইমোজি। ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক তরুণী ভিডিও কলে চাকরির সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। তার ল্যাপটপ স্ক্রিনের পাশে একটি স্মার্টফোন রাখা, যেখান থেকে একটি এআই অ্যাপ তৈরি করা উত্তরগুলো তিনি অনায়াসে পড়ে যাচ্ছেন: 'উম, হ্যাঁ, আসলে কাজের বেলায় আমার মূল শক্তি হলো আমার অভিযোজন ক্ষমতা।' যে চাকরির সাক্ষাৎকার একসময় প্রার্থীদের মেধা ও ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের মূল ভিত্তি ছিল, সেটিই এখন যেন এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন চাকরিপ্রার্থীদের 'কানে কানে' উত্তর বলে দিচ্ছে, আবার নিয়োগকর্তারাও এআই ব্যবহার করে প্রার্থীও যাচাই করছেন। এই 'এআই যুদ্ধ' এতটাই তীব্র হয়েছে যে, অনেক বড় প্রতিষ্ঠান এখন বাধ্য হয়ে আবার মুখোমুখি সাক্ষাৎকারের দিকে ঝুঁকছে। একই কথিত সাক্ষাৎকারের আরও কিছু ক্লিপে এআই অ্যাপটির কার্যকারিতা আরও স্পষ্ট হয়েছে। একটি পোস্টে এক নারী বলছেন, 'আমি সরাসরি সাক্ষাৎ-যোগাযোগকে অগ্রাধিকার দিই এবং সক্রিয়ভাবে শুনি,' অথচ তিনি তখন ফোন থেকে দেখে দেখে সবটুকু পড়ছিলেন, সক্রিয়ভাবে তো একেবারেই শুনছিলেন না। এমন আরেকটি পোস্ট, যা ৫৩ লাখ ভিউ পেয়েছে, সেটির ক্যাপশন ছিল, 'আমার ইন্টারভিউয়ার ভেবেছিলেন, লাইভ ইন্টারভিউতে তিনি আমাকে এআই ব্যবহার করতে ধরে ফেলেছেন।' সেখানে দেখা যায়, অন্য ভিডিওগুলোর একই সম্ভাব্য বস তাকে স্ক্রিন শেয়ার করে ব্রাউজার ট্যাবগুলোতে ক্লিক করতে বলছেন। এটি করার পর তিনি আবার ফোন থেকে পড়া শুরু করেন। ক্যাপশনে লেখা ছিল, 'তিনি টেরই পাননি!' চাকরির সন্ধানে এআই নিয়ে উদ্বেগ বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়ছে। গত কয়েক বছরে নিয়োগকর্তারা প্রতিটি চাকরির বিজ্ঞাপনের জন্য হাজার হাজার সিভি 'পড়তে' এবং বাছাই করতে এআই ব্যবহার শুরু করেন। এরপর চাকরিপ্রার্থীরাও এআই-তৈরি করা আবেদনপত্র দিয়ে এইচআর বিভাগগুলোকে (বা তাদের স্বয়ংক্রিয় ফিল্টারগুলোকে) ভাসিয়ে দিতে শুরু করেন। এমনকি কিছু প্রতিষ্ঠান প্রথম ধাপের সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য 'এআই এজেন্ট' নিয়োগ দিতে শুরু করে। ভাবুন তো, সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে, ভালো করে নাস্তা সেরে, দারুণ একটা ব্লেজার পরে চাকরির সাক্ষাৎকারে বসামাত্রই জানতে পারলেন যে আপনার মেধা বিচার করছে একজন রোবো-রিক্রুটার! এই 'এআই প্রতিযোগিতা' এতটাই এগিয়ে যায় যে, জুমের মাধ্যমে কম্পিউটার-প্রোগ্রামিংয়ের সাক্ষাৎকারের জন্য আবেদনকারীরা এআই ব্যবহার করে উত্তর সংগ্রহ করছিলেন। গত আগস্টে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, এআই 'মুখোমুখি চাকরির সাক্ষাৎকার ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করছে।' প্রযুক্তিগত এই পরিস্থিতির কারণে সিসকো এবং ম্যাককিনসে-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিয়োগ ব্যবস্থাপকদের প্রার্থীদের সঙ্গে অন্তত একবার সরাসরি সাক্ষাৎ করার জন্য উৎসাহিত করছে। তবে সত্যি কি এত 'ইন্টারভিউ জালিয়াতি' হচ্ছে? টিকটক ভিডিওগুলো দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, চাকরিপ্রার্থীরা, বিশেষ করে তরুণরা, যারা এই জটিল এআই-নির্ভর চাকরির বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তারা এআই ব্যবহার করে সাক্ষাৎকারগুলো নিজেদের পক্ষে নিচ্ছেন। কিন্তু খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এই ভিডিওগুলোর অনেকগুলোই কোনো কেলেঙ্কারির প্রমাণ নয়, বরং একটি 'কেলেঙ্কারি' তৈরি করার আকাঙ্ক্ষা থেকে তৈরি, যার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনও করা হচ্ছে। যেমন, যে ভিডিওতে সেই নারী ল্যাপটপের পাশে ফোন রেখে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন, সেগুলো @applicationintel নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে, যা দর্শকদের 'AiApply' নামের একটি এআই অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য উৎসাহিত করেছে। এই ধরনের আরও অনেক ভিডিও পাওয়া গেছে। 'LockedIn AI' নামের একটি এআই-সাক্ষাৎকার সফটওয়্যার কোম্পানি টিকটকে পোস্ট করে দেখিয়েছে কিভাবে তাদের টুল ব্যবহার করে 'যেকোনো চাকরির সাক্ষাৎকারকে দুর্দান্ত' করা যায়। কাজুয়োশি ফুজি মোতো, একজন তরুণ পেশাদার প্রকৌশলী যিনি 'ক্যারিয়ার এক্সপার্ট' হিসেবেও কাজ করেন, তার কয়েকটি পোস্টে এমন শিরোনাম রয়েছে যেমন: 'আমার ভাই ৪ লাখ ৬৯ হাজার ডলারের প্রকৌশলী চাকরির সাক্ষাৎকারে এআই ব্যবহার করছে।' টিকটক প্রভাবশালীদের দ্বারা এআই-ভিত্তিক সাক্ষাৎকার পরিষেবাগুলোর প্রচার ইঙ্গিত দেয় যে এই ধারণা থেকে অর্থ উপার্জনের সুযোগ আছে এবং এই পণ্যগুলোর গ্রাহকরা বাস্তব। ফাইনাল রাউন্ডের 'ইন্টারভিউ কো-পাইলট' ব্যবহার করে দেখা গেল, এটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন করলে তার একটি দীর্ঘ, কিন্তু নীরস জবাব দেয়। যেমন, 'যদি আপনাকে চাকরির সাক্ষাৎকারে এআই ব্যবহার করে প্রতারণা করা নিয়ে একটি প্রতিবেদন লিখতে দেওয়া হয়, তাহলে আপনি বিষয়টি কিভাবে তুলে ধরবেন?' এমন প্রশ্নের উত্তরে এআই জানায়, এটি প্রথমে বিষয়টির ব্যাপকতা বুঝবে এবং এর নৈতিক দিকগুলো চিহ্নিত করবে। একজন প্রকৃত লেখক যদি এমন উত্তর দিতেন, তবে তা ভুল না হলেও, অনুপ্রেরণাহীন মনে হতো। অ্যাপটির দেওয়া উত্তরটি পড়তে গিয়ে এবং জুম কলে নিজেকে সেটি গম্ভীর মুখে বলতে কল্পনা করতে গিয়ে, ১৯৯০ সালের চলচ্চিত্র 'জো ভার্সাস দ্য ভল্ফ্যানো'র শুরুর দৃশ্যটি মনে পড়ে যাওয়ার কথা। সেখানে মূল চরিত্র জো কর্মস্থলে পৌঁছান, আর তার বস মিস্টার ওয়াতুরি ফোনে কথা বলছিলেন। মিস্টার ওয়াতুরি ফোনের রিসিভারে বারবার বলছিলেন, 'আমি জানি সে চাকরিটা পেতে পারে। কিন্তু সে কি কাজটা করতে পারবে?' মিস্টার ওয়াতুরির প্রশ্নটি যথার্থ: একজন ব্যক্তি চাকরির যোগ্যতার সব আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারেন—একটি ভালো সিভি তৈরি করা, সাক্ষাৎকারে কার্যকরভাবে উপস্থাপন করা, এমনকি একটি সন্তোষজনক পরীক্ষামূলক কাজও সম্পন্ন করা। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে হয়তো তিনি কোনো ফলপ্রসূ কাজ করতে পারবেন না। বর্তমানের এআই-ভিত্তিক সাক্ষাৎকার সরঞ্জামগুলো এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে হয়: এখন স্বয়ংক্রিয় সাহায্যের মাধ্যমে প্রায় যে কেউ চাকরি পেতে পারে। তারা আসলে কাজটি করতে পারবে কিনা, তা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীরা যেমন এখন স্কুল-কলেজে 'প্রতারণা' করে পার পেয়ে যাচ্ছে, তেমনি মেটা বা ম্যাককিনসে-তে ঢোকার পথে তাদের কে আটকাতে পারবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই জালিয়াতি দিন দিন আরও বাজে হচ্ছে। যদিও চলচ্চিত্রটিতে ওয়াতুরির সেই, 'আমি জানি সে চাকরিটা পেতে পারে, কিন্তু সে কি কাজটা করতে পারবে?'—কেবলই আমলাতান্ত্রিক বোকামি এবং উচ্চ মান বজায় রাখার একটি ভান হিসেবে প্রতিভাত হয়; জো'র কাজের পারফরম্যান্স নিয়ে তার উদ্বেগ আসলে ফাঁপা। জো, তার কোট ও টুপি ঝোলাতে ঝোলাতে এসবই মেনে নিচ্ছেন: কাজটি যখন এত অর্থহীন, তখন 'কাজটি করা'র মানেই বা কী? এই প্রশ্নটি আজ এক পরিবর্তিত রূপে ফিরে এসেছে। যে প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-সহায়তা প্রাপ্ত আবেদনকারীদের দ্বারা প্রতারিত হওয়ার ভয়ে আছে, তারাই আবার এমন কর্মী বাহিনী চায় যারা অন্যান্য অনেক উপায়ে এআই ব্যবহার করতে পারে। যারা ফাইনাল রাউন্ড এআই ব্যবহার করে সফটওয়্যার-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাকরি পাচ্ছেন, তারা হয়তো তাদের বসদের পছন্দ অনুযায়ী সেই কাজগুলো করার জন্য দারুণভাবে যোগ্য। বেশ কিছুদিন ধরেই কর্মীরা–বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাদের কর্মজীবন থেকে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে সম্প্রতি এই ধরনের কাজগুলোকে 'ইমেইলনির্ভর কাজ' (email jobs) হিসেবে ডাকা হচ্ছে: যে কাজের উদ্দেশ্য এতটাই রহস্যময়, যেখানে ব্যক্তিগত বা পেশাগত কোনো প্রেরণা বা ফলাফলের সাথে চেষ্টার কোনো সম্পর্ক থাকে না। 'গ্রেট রিসেশন' এর সময়ে স্নাতক হওয়া 'মিলেনিয়াল' প্রজন্ম এই বিভাজন মেটাতে নিজেদের চাকরিকে 'LARP' (লাইভ অ্যাকশন রোল-প্লেইং) করার কথা বলত। এআই ব্যবহার করে চাকরির সাক্ষাৎকারে 'প্রতারণা' করাটা যেন সেই ধারণারই বাস্তব রূপ: আপনি আর চাকরিপ্রার্থী নন, বরং একজন ব্যক্তি যিনি চাকরিপ্রার্থীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। ম্যাককিনসে-এর জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট পদ বা '৪ লাখ ৬৯ হাজার ডলারের ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি'ও যে সবসময় অর্থহীন কাজ থেকে ভিন্ন, তা বলা কঠিন। যদিও এমন পদের বেতন ভালো হতে পারে, সমাজে এক ধরনের অবস্থানও তৈরি করতে পারে, তবুও প্রায় সব ধরনের অফিসিয়াল চাকরির পেছনে ছোটা এখন এক ভয়াবহ অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। প্রার্থীরা লিঙ্কডইন বা ওয়ার্কডে-তে ফর্ম ও সিভি জমা দেন, যেখানে হয়তো এআই প্রসেসর দ্বারা সেগুলো যাচাই-বাছাই হয়ে যায় এবং কোনো উত্তর ছাড়াই হারিয়ে যায়, অথবা সাক্ষাৎকারের জন্য নির্বাচিত হয় (সেটিও হয়তো এআই দ্বারা পরিচালিত)। চাকরির জন্য বিবেচিত হওয়ার প্রক্রিয়াটি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে, এর মধ্য দিয়ে যাওয়ার জন্য যেকোনো গোপন সুবিধা গ্রহণ করাটা স্বাগত জানানোর মতোই। আজকের এই বিশৃঙ্খল বাজারে কর্মসংস্থান প্রত্যাশী তরুণ পেশাজীবীদের প্রতি নতুন সহানুভূতি নিয়ে এআই-ভিত্তিক সাক্ষাৎকারের টিকটক ভিডিওগুলো আবার দেখতে গিয়ে একটি প্যাটার্ন লক্ষ্য করা গেছে: চরম হতাশার এক বাস্তব কৌশল। কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, সুনির্দিষ্ট চাকরির বিজ্ঞাপনের জবাবে এআই ব্যবহার করে কাস্টমাইজড সিভি তৈরি করা হচ্ছে। একজন তরুণী চাকরির সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতির জন্য এআই ব্যবহারের টিপস দিয়েছেন: তিনি এমন একটি অ্যাপ কেনার পরিবর্তে, যা কথা শোনে এবং কী বলতে হবে তা বলে দেয়, এআই ব্যবহার করে সম্ভাব্য প্রশ্ন তৈরি করে সেগুলোর উত্তর অনুশীলন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ভিডিওটির শিরোনাম দিয়েছেন, 'কীভাবে এআই ব্যবহার করে যেকোনো সাক্ষাৎকারে পাস করবেন।' 'পাস করে যাওয়া' এখন একটি সমসাময়িক জীবনদর্শন, যা অনেকটা অভ্যাসের বশে গৃহীত হচ্ছে। বিদ্রূপাত্মক বিচ্ছিন্নতা এখন কেবল একটি ক্যারিয়ারকে 'LARP' করার চেয়েও অনেক বেশি এগিয়ে গেছে। এখন মানুষ কেবল ভাগ্যের জোরে একটি ক্যারিয়ারে প্রবেশ করার চেষ্টা করে, অথবা অন্তত তার একটি ভান তৈরি করে। আজ শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তির জন্য এআই ব্যবহার করে প্রবেশিকা প্রবন্ধ লিখতে পারে, কলেজে ঢুকে এআই ব্যবহার করে অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করে ডিগ্রি অর্জন করতে পারে, এরপর এআই ব্যবহার করে সেই ডিগ্রি কাজে লাগিয়ে চাকরি পেতে পারে, এবং সেই চাকরির দায়িত্ব পালনেও এআই ব্যবহার করতে পারে। সর্বোচ্চ যা করা যেতে পারে – সর্বোচ্চ যা আশা করা যেতে পারে – তা হলো যেকোনো উপায়ে প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে যাওয়া এবং একবার সেখানে পৌঁছালে, পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার একটি পথ খুঁজে বের করা। 'ভান করে সফল হওয়ার' পুরনো ধারণা এখন যেন 'ভান করতে করতেই জীবন পার' হওয়ার দর্শনে রূপ নিয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার বা পরিবর্তন করার সময় বা ক্ষমতা কারও নেই। আপনাকে বাড়ি ভাড়া দিতে হবে, পেট চালানোর খরচ জোগাতে হবে এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের অন্ধকারে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তাই আপনি কম্পিউটার যা বলে, সেটাই পড়েন যখন আপনাকে জিজ্ঞেস করা হয় কেন আপনি কর্পোরেট বিটুবি SaaS বিক্রি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিপণন নিয়ে আগ্রহী। এগিয়ে যাওয়ার জন্য যেকোনো কৌশল অবলম্বন করাটা কোনো লজ্জার বিষয় নয়; এটা বাধ্যতামূলক। যদি আপনি চাকরিটাই না পান, তাহলে কাজ করার ভানও কীভাবে সম্ভব?
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
