ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
উখিয়ায় ৫ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত: ২৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে
রফিক মাহমুদ, উখিয়া
প্রকাশ: Thursday, 20 November, 2025, 7:54 PM

উখিয়ায় ৫ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত: ২৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে

উখিয়ায় ৫ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত: ২৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে

কক্সবাজারের উখিয়ায় সরকারি জমি দখল করে গড়ে উঠা প্রায় ২৫০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টার অভিযানে বালুখালী মরাগাছতলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকার উত্তর স্টেশন থেকে দক্ষিণ স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় পাঁচ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হয়।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বনবিভাগের একাধিক টিম অংশ নেয়। উপস্থিত ছিলেন উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল মান্নান, বিভিন্ন বিট কর্মকর্তা ও বনবিভাগের স্টাফরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বালুখালী মরাগাছতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র সরকারি খাসজমি দখল করে পাকা-আধাপাকা অসংখ্য স্থাপনা গড়ে তোলে। এসব স্থাপনা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কাছে মাসিক ভাড়ায় দিয়ে চক্রটি প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছিল। বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও দখলবাজদের কার্যক্রম থামছিল না।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল মান্নান বলেন, “সরকারি বনভূমি দখল করে যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ। বহুবার সতর্ক করার পরও তারা জমি ছাড়েনি। তাই বৃহৎ পরিসরে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ পুনরায় দখলের চেষ্টা করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযানে শত শত দোকানঘর, বসতঘর, টিনশেড, প্লাস্টিক ও বাঁশের তৈরি অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়। প্রায় পাঁচ একর সরকারি জমি দখলমুক্ত করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দখলদার চক্রের দৌরাত্ম্যে পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত ছিল। তারা মনে করেন, চক্রটিকে আইনের আওতায় আনলে এ ধরনের দখল স্থায়ীভাবে কমে যাবে।

অভিযান শেষে ইউএনও মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, “সরকারি জমি দখলকারীদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান চালাবে। সরকারি সম্পদ রক্ষাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খাস জমি ও বন ভূমি উদ্ধার করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “উদ্ধারকৃত পাঁচ একর জমি পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে পুনরায় কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযানের ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও তাদের আশা—দখল রোধে নজরদারি আরও জোরদার করা জরুরি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status