|
হারপিকের 'বিশ্ব টয়লেট দিবস' উদযাপন
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হারপিকের 'বিশ্ব টয়লেট দিবস' উদযাপন অনুষ্ঠানের শুরুতে “বিশ্ব টয়লেট দিবস ও স্যানিটেশন কর্মী” বিষয়ে কী-নোট উপস্থাপন করেন ড. আব্দুল্লাহ আল মূঈদ (পিএইচডি)। তিনি স্যানিটেশন কর্মীদের জনস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, এসডিজি-৬ অর্জনে বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং কর্পোরেট খাতের অবদান তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, “টয়লেট শুধু ব্যবহারের জায়গা নয়, এটি স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার অন্যতম প্রধান স্থান।” পরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এবিএম শামসুল আলম, ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, সাজেদা ফাউন্ডেশনের ডেপুটি সিইও ফজলুল হক, মজার ইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান আরিফ এবং রেকিট বেনকিজার (বাংলাদেশ) পিএলসি’র হেড অব মার্কেটিং সাবরিন মারুফ তিন্নি। আলোচনাটি পরিচালনা করেন রেকিট বেনকিজারের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার মো. রাকিব উদ্দিন। প্যানেলিস্টরা বলেন, সরকারি–বেসরকারি সহযোগিতাই স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে। অনুষ্ঠানে উন্মোচন করা হয় হারপিকের নতুন কমিক বই “দিপু-টুশি হাইজিন অভিযান”, যেখানে শিশুদের জন্য মজার কন্টেন্টের মাধ্যমে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও টয়লেট হাইজিন শেখানো হয়েছে। পাশাপাশি চালু করা হয়েছে একই নামের ডিজিটাল কার্টুন সিরিজ। হারপিক বাংলাদেশ ও সাজেদা ফাউন্ডেশন যৌথভাবে স্যানিটেশন কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেয়। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয়ে দুই হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে সহায়তায় যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও প্রকাশ করা হয়। সাবরিন মারুফ তিন্নি বলেন, “স্যানিটেশন একটি মৌলিক মানবাধিকার। আমরা গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিদ্যালয়ে হাইজিন শিক্ষা এবং স্যানিটেশন কর্মীদের সহায়তায় ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাব।” প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর বিশ্ব টয়লেট দিবস নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিতের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
