|
প্রেমের খোঁজে ভাসিয়েছিলেন বোতলবন্দি চিঠি, উত্তরে পেলেন ‘সাগরে বর্জ্য ফেলবেন না'
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() প্রেমের খোঁজে ভাসিয়েছিলেন বোতলবন্দি চিঠি, উত্তরে পেলেন ‘সাগরে বর্জ্য ফেলবেন না' তার পাঠানো কিছু চিঠি নেদারল্যান্ডস বা ফ্রান্সের তীর পর্যন্তও পৌঁছেছে। অনেকেই বোতল পাওয়ার কথা জানিয়ে উত্তরও দিয়েছেন, কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত প্রেমের সাড়া মেলেনি। তবে সম্প্রতি তার ঠিকানায় যে উত্তরটি এসেছে, তা কোনো প্রেমিকের কাছ থেকে নয়, বরং এক ক্ষুব্ধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাছ থেকে। সেই উত্তরে ভালোবাসার বদলে ছিল তিরস্কার আর সমুদ্রে আবর্জনা না ফেলার কড়া পরামর্শ। একদিন লোরেইন ডাকে একটি বাক্স পান। পার্সেলটি গ্রহণ করতে তাকে ৭ পাউন্ড খরচ করতে হয়। বাক্সটি খোলার পর তিনি দেখতে পান, ভেতরে রয়েছে তারই ফেলে আসা একটি বোতল, কয়েকটি পাথর এবং একটি ছোট্ট চিঠি। ক্ষুব্ধ হাতের লেখায় চিঠিতে লেখা, 'দয়া করে সমুদ্রে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করুন। আপনার ফেলা বোতল এক দিন পরেই পেভেনসি বে বা নরম্যান্স বে-র সৈকতে ফিরে আসে। ধন্যবাদান্তে, একজন বর্জ্য সংগ্রাহক।' অর্থ খরচ করে এমন একটি তিরস্কারপত্র পেয়ে বেশ অপমানিত বোধ করেছেন লোরেইন। তিনি বলেন, 'আমি অনেক বছর ধরে চিঠি পাঠাচ্ছি। আমি শুধু পুরোনো দিনের মতো একটু রোমান্স চেয়েছিলাম। কিন্তু যিনি এটা ফেরত পাঠিয়েছেন, তিনি একজন বেরসিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী। আমার মতে, কাজটা খুবই বাজে হয়েছে। তারা হয়তো আমাকে একটা শিক্ষা দিতে চেয়েছিল।' চিঠিতে প্রেরকের কোনো নাম-পরিচয় ছিল না। লোরেইন কিছুটা রসিকতা করে বলেন, 'যদি প্রেরকের নাম জানতাম, আমি অবশ্যই আমার ৭ পাউন্ড ফেরত চাইতাম।' লোরেইন সাধারণত ইস্টবোর্ন পিয়ার থেকে প্লাস্টিকের বোতলে বার্তা ভরে সমুদ্রে ভাসিয়ে দেন, যাতে সেগুলো সহজে ভেঙে না যায়। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, তার এই শখের কারণে পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে বলে অতীতেও তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এবারের ঘটনার পর তার নতুন ভয়, বোতলে তার নাম-ঠিকানা থাকায় পরিবেশ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারলে তিনি আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন। তবে সাগরে বোতলে বার্তা ভাসানোর সব অভিজ্ঞতাই যে এমন তিক্ত হয়, তা নয়। গত সেপ্টেম্বরেই যুক্তরাজ্যের এক তরুণের পাঠানো বোতলের চিঠি ৪ হাজার ২০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের সেন্ট লুসিয়ায় পৌঁছে, সেটির একটি সুন্দর উত্তরও এসেছিল।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
