|
জুলাই হত্যা মামলা: পুলিশের চোখের সামনে প্রকাশ্যে ঘুরছে যুবলীগ নেতা নেছারুল
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() জুলাই হত্যা মামলা: পুলিশের চোখের সামনে প্রকাশ্যে ঘুরছে যুবলীগ নেতা নেছারুল চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম শাকপুরার হাজী সওদাগরের ছেলে যুবলীগ নেতা নেছারুল হক। বর্তমানে নগরীর বাকলিয়ায় তিনি বসবাস করেন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় কাউন্সিলর ও নেতাকর্মীদের ক্ষমতার দাপটে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের প্রমাণ রয়েছে। জানা যায়, বর্তমানে রাজধানী ও চট্টগ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিলে নেছারুল হক অর্থের জোগান দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। তার রয়েছে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী । চাঁদাবাজি, সম্পত্তি জবর-দখলসহ নানাবিধ অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন এই যুবলীগ নেতা । অভিযোগ রয়েছে, রাউজানের সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরীর আস্থাভাজন হয়ে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করতেন। নেছারুল হকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পরও সে এখনো গ্রেফতার হয়নি বলে জানান ভুক্তভোগীরা, এমনকি তিনি প্রকাশ্যে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। জুলাই আন্দোলনে গুরুতর আহত রিকশাচালক রমজান গনমাধ্যমেকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার নিউ মার্কেট এলাকার তিনপুলের মাথায় ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার মিছিলে আমি যোগ দিলে যুবলীগ নেতা নেছারুল হক ও তার বাহিনী ছাত্র-জনতা ও আমার ওপর ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়।’চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় নেছারুল হকের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছি (মামলা নাম্বার-০৪) কিন্তু প্রশাসন তাকে এখনো গ্রেপ্তার করে নাই। যার কারনে আতঙ্কে আছি। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ক্ষমতার দাপটে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে অস্ত্র ও মাদকের অবৈধ ব্যবসায়েও জড়িত এই নেছারুল। এতে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি। চলতি বছরের ১৯ অক্টোবর কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে তিনি অর্থের জোগান দিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করেন। নেছারুল হকের মতো হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আইন বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘একজন মামলার আসামি যদি বছরের পর বছর প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়, তাহলে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।' এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার শেখ তরিকুল নতুন সময়কে বলেন, যুবলীগ নেতা নেছারুল হক বোয়ালখালী থানা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নাম ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য আইনগত প্রক্রিয়ায় বোয়ালখালী থানায় পাঠানো হয়েছে তথ্য পেলেই গ্রেফতার করা হবে। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল করিম নতুন সময়কে বলেন জুলাইয়ে যে মামলাগুলো হয়েছে এ মামলাগুলো মনিটরিং সেল এর মাধ্যমে তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সবথেকে বেশি ভালো বলতে পারবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
