ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ১৬ মে ২০২৬ ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
আফগানিস্তানে এত বেশি বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কারণ কী; কেন এত প্রাণহানি হয়?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 1 September, 2025, 1:10 PM
সর্বশেষ আপডেট: Monday, 1 September, 2025, 2:40 PM

আফগানিস্তানে এত বেশি বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কারণ কী; কেন এত প্রাণহানি হয়?

আফগানিস্তানে এত বেশি বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কারণ কী; কেন এত প্রাণহানি হয়?

পাকিস্তান সীমান্তের কাছে পূর্ব আফগানিস্তানে রোববার গভীর রাতে ৬.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে নানগারহার ও কুনার প্রদেশসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ৬২২ জন বেশী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর বিবিসি'র।

এছাড়া, দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম রেডিও টেলিভিশন আফগানিস্তান (আরটিএ)।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নানগারহার প্রদেশের জালালাবাদ শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে। এর গভীরতা ছিল মাত্র ৮ কিলোমিটার। অগভীর ভূমিকম্পে সাধারণত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়।

উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া তালেবান প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বিবিসিকে বলেন, কয়েকটি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু এই একটি উপত্যকাতেই 'শত শত মানুষ' হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে হতাহতের এই সংখ্যা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

কেন আফগানিস্তান এত ভূমিকম্পপ্রবণ?

আফগানিস্তান অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। কারণ দেশটি ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বেশ কয়েকটি ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত।

২০২২ সালে পূর্ব আফগানিস্তানে ৫.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে অন্তত ১ হাজার মানুষ নিহত এবং ৩ হাজার মানুষ জন আহত হন। গত দুই দশকে দেশটিতে এটিই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

সেই ভূমিকম্পটি মাঝারি মাত্রার হলেও ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হওয়ায় অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক ছিল। রোববারের ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল আরও কম, মাত্র ৮ কিলোমিটার। এ কারণে শত শত মানুষের হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে আঘাত হানে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই ঘটনায় অন্তত ৪ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। তবে জাতিসংঘ মৃতের সংখ্যা অনেক কম, প্রায় ১ হাজার ৫০০ বলে জানিয়েছিল।

আফগানিস্তানের বাসিন্দারা ভূমিকম্পের সময় বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকেন। কারণ দেশটির ভবনগুলো কাঠ, কাঁচা ইট বা দুর্বল কংক্রিট দিয়ে তৈরি, যা সাধারণত ভূমিকম্প প্রতিরোধী হয় না।

আফগানিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ধসে ঘরবাড়ি চাপা পড়ে, আবার নদীর প্রবাহও আটকে যায় অনেক সময়। 

ভূমিধসের কারণে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, ফলে দূরবর্তী এলাকায় উদ্ধারকর্মী ও সরঞ্জাম পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ে। উদ্ধার কাজ আরও কঠিন হয়ে ওঠে বৃষ্টি, তুষার, কুয়াশা ও তীব্র শীতের মতো প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status