|
শিশুদের জন্য নবীজির হৃদয়ভরা ভালোবাসা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() শিশুদের জন্য নবীজির হৃদয়ভরা ভালোবাসা একবার নবী করিম (সা.) প্রিয় নাতি হাসানকে চুমু খান। সে সময় তাঁর কাছে আকরা তামিমি (রা.) বসা ছিলেন। তিনি নবী (সা.)-কে বলেন, ‘আমার ১০টি পুত্র আছে। আমি তাদের কাউকে কোনো দিন চুমু দিইনি।’ নবীজি (সা.) তার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘যে দয়া করে না, সে দয়া পায় না।’ (সহিহ্ বুখারি: ৫৯৯৭) আরেক হাদিসে এসেছে, ‘এক বেদুইন এসে নবী (সা.)-কে বললেন, ‘আপনারা শিশুদের চুমু দেন, কিন্তু আমরা ওদের চুমু দিই না।’ প্রিয় নবীজি (সা.) তখন বললেন, ‘আল্লাহ যদি তোমার হৃদয় থেকে দয়ামায়া উঠিয়ে নেন, তাহলে তোমার ওপর আমার কি কোনো অধিকার আছে!’ (সহিহ্ বুখারি: ৫৯৯৮) নবী করিম (সা.)-এর পুত্র ইবরাহিম শিশু বয়সেই ইন্তেকাল করেন। নবীজির কাছে যখন প্রিয় সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ আসে, তখন তিনি কেঁদে দেন। তাঁর চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে। কান্নাভেজা কণ্ঠে রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ কান্না হচ্ছে স্নেহ ও ভালোবাসার প্রকাশ।’ এরপর তিনি বলেন, ‘আমার হৃদয় বেদনাহত, চোখ দুটো অশ্রুসিক্ত। তবে আমি শুধু সে কথাগুলোই বলছি, যা আমার রবকে সন্তুষ্ট করে। ইবরাহিম, তোমার বিচ্ছেদে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’ (সহিহ্ বুখারি) সন্তান হারিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে যা বলেছিলেন নবীজিসন্তান হারিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে যা বলেছিলেন নবীজি প্রিয় নবীজির (সা.) জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে করুণার ঝরনাধারা প্রবাহিত হয়েছে। শিশুদের প্রতি তাঁর দয়ার ছোঁয়া আমাদের শেখায়, একটি কোমল হৃদয়ই পারে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে। আজকের দুনিয়ায়, যখন শিশুরা নির্যাতন ও অবহেলার শিকার, তখন নবীজি (সা.)-এর এই দৃষ্টান্তগুলো আমাদের আরও মানবিক, আরও দায়িত্বশীল করে তুলতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
