|
তাড়াশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ভারি বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে ফসলের বিস্তৃর্ণ মাঠ
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
|
![]() তাড়াশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ভারি বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে ফসলের বিস্তৃর্ণ মাঠ তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সূত্র বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলায় ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামী এক সপ্তাহব্যাপী হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হলেও ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শ্রাবণের শুরুতে টানা ভারি বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে বীজতলা, মৌসুমী শাক সবজি ও জিরা ধানের খেত। দেখা দিয়েছে ব্যাপক জলাবদ্ধতা। অবশ্য এ জন্য কৃষক দায়ী করছেন, খাল নদী দখল ও যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননকে। এসব কারণে বৃষ্টির পানি মূল চলনবিলে প্রবেশ করতে না পারায় চরম জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। উপজলার মাধাইনগর, দেশীগ্রাম, তালম ও বারুহাস ইউনিয়নের মাঠগুলো বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। তালম গ্রামের কৃষক হোসেন আলী, আসাদুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির পানি মাঠ থেকে খাল ও নদী দিয়ে চলনবিলে নামতে না পারায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। প্রসাশন জরুরি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে আগামীতে রোপা আমন চাষে কৃষক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদিকে টানা বৃষ্টিতে তাড়াশ পৌর শহরের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের বালিকা বিদ্যালয় সড়ক, উপজেলা পরিষদের প্রবেশ পথ, বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কে পানি জমে রয়েছে। বালিকা বিদ্যালয় সড়কের বাসিন্দা ও ব্যাবসায়িক মিলন হোসেন ও রফিকুল ইসলাম জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় পানি জমে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক ও বাসাবাড়ির গলিদিয়ে পানিতে জলকাদায় একাকার হয়ে যাচ্ছে। তাড়াশ কৃষি অফিসসূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন মাঠে রয়েছে ১৬৬৩ হেক্টর জিরা ধান, ২৫১০ হেক্টর রোপা আমনসহ পাট ও সবজি মাঠ রয়েছে। তবে এ বৃষ্টিতে রোপা আমনের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান বলেন, ‘জলাবদ্ধতার বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছি। সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন নিয়ে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
