|
ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব, কার্যকর হলে যা হবে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব, কার্যকর হলে যা হবে ওই কর্মকর্তার তথ্যমতে, নতুন এই প্রস্তাব কার্যকর হলে পাঁচ থেকে সাত বছর স্থায়ী হবে যুদ্ধবিরতি। প্রস্তাবে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে সব ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিবে হামাস। এছাড়া যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি এবং গাজা থেকে পুরোপুরিভাবে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহারের কথাও বলা হয়েছে এতে। এরই মধ্যে আলোচনার জন্য হামাসের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিনিধি দলের কায়রোতে পৌঁছানোর কথা। জানা গেছে, হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ এবং প্রধান আলোচক খালিল আল হাইয়া এই আলোচনায় থাকবেন। তবে, নতুন এই প্রস্তাব সম্পর্কে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল। এক মাস আগে গাজায় ইসরায়েল নতুন করে বোমা হামলা শুরু করার পর সবশেষ যুদ্ধবিরতিটি ভেস্তে যায়। যুদ্ধবিরতি অকার্যকর হওয়ার জন্য হামাস ও ইসরায়েল একে অপরকে দায়ী করেছে। হামাসের ইসরায়েলের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার কয়েক দিন পরই এমন উদ্যোগ নেওয়া হলো। ইসরায়েলের প্রস্তাবে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের দাবি জানানো হয়েছিল। গত শনিবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের ধ্বংস এবং জিম্মিদের ফেরত পাওয়ার আগে যুদ্ধ শেষ হবে না। হামাস দাবি করেছে, জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আগেই যেন ইসরায়েল সরকার যুদ্ধ বন্ধের প্রতিজ্ঞা করে। ২০০৭ সাল থেকে গাজার শাসনক্ষমতায় আছে হামাস। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওই ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন যে ‘জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে’ অনুমোদন পাওয়া যেকোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে গাজার শাসনভার হস্তান্তরের বিষয়ে হামাস তাদের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে। এটা পশ্চিম তীরভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) অথবা নবগঠিত প্রশাসনিক সংস্থা হতে পারে। তবে নেতানিয়াহু গাজার ভবিষ্যতের শাসনব্যবস্থায় পিএকে সম্পৃক্ত করার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন। আলোচনার সাফল্য কতটুকু, তা নির্ধারণের সময় এখনো হয়নি। তবে সূত্রটি বর্তমান মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে এবং বলেছে যে হামাস ‘নজিরবিহীন নমনীয়তা’ দেখিয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় হওয়া তিন ধাপের যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের পর চুক্তি লঙ্ঘন করে পুনরায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গত ১৮ মার্চ নির্বিচারে হামলা শুরু করে অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে। নতুন করে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনে মাত্র এক মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৬০০ ফিলিস্তিনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
