|
ইভটিজিংয়ের জেরে আগুনে ঘি, চিলমারী-হরিপুর সেতু রুটে রণক্ষেত্র
মোঃ মাহবুবুল হাসান,চিলমারী
|
![]() ইভটিজিংয়ের জেরে আগুনে ঘি, চিলমারী-হরিপুর সেতু রুটে রণক্ষেত্র ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ এপ্রিল, যখন দুই থানার মোড় এলাকায় এক কিশোরী ও তার মাকে উত্যক্ত করে শহর মোড়ের দুই যুবক। ঘটনাটি কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এরপর থেকেই উভয় এলাকার মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। চাপা উত্তেজনার বিস্ফোরণ ঘটে আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে, যখন দুই পক্ষ সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ৪ এপ্রিলের ঘটনার জের ধরে আজ এক পক্ষ অপর পক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে দুই থানার মোড় ও শহর মোড় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি শুরু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে সংঘর্ষে শিশুরাও লাঠি হাতে এলাকাজুড়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, হরিপুর-চিলমারী সেতু এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির অন্যতম সম্ভাবনা। কিন্তু এসব সংঘর্ষ ও সামাজিক অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে, স্থায়ীভাবে শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
