|
কুড়িগ্রামে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মোহনাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের নির্দেশদাতা অবশেষে গ্রেফতার
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() কুড়িগ্রামে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মোহনাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের নির্দেশদাতা অবশেষে গ্রেফতার আলোচিত এই নেক্কারজনক ঘটনা কুড়িগ্রামের সর্বত্র তোলপাড় শুরু হলে অবশেষ নির্যাতনের নির্দেশ দাতা চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস প্রামাণিক কে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীটির বাবা মোস্তফা মিয়া বাদী হয়ে গতরাতে ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করলে রাতেই ২ নম্বর আসামি মায়া বেগমকে গ্রেপ্তার করে রাজারহাট থানা পুলিশ। ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে নির্দেশদাতা চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করে দুজনকে একসাথে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত অপর ০৩ আসামি পলাতক রয়েছে। এব্যাপারে রাজারহাট থানার ওসি তছলিম উদ্দিন জানান, গত মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি এঘটনা মূহুর্তের মধ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে জেলার সর্বত্র প্রতিবাদের ঝড় উঠে। প্রত্যকে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতারের দাবি তুলেছে ২ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত অপর ০৩ আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, ভুক্তভূগী ওই ছাত্রীর ছোট বোন (৯) দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিল। চিকিৎসার জন্য ছাত্রীটির দাদি একটি গরু দেন। এ নিয়ে ছাত্রীটির দুঃসম্পর্কের এক দাদা আব্দুল কাদের ছাত্রীটির বাবা গরুটি চুরি করেছে এমন অপবাদ দিয়ে গত মঙ্গলবার স্থানীয় চৌকিদার পাঠিয়ে ছাত্রীটি ও তার পরিবারের সকলকে হুমকি দেয়। বাবাকে গরুচুরির অপবাদ দেয়ায় ছাত্রীটি তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায়। দাদা আব্দুল কাদের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে ছাত্রীটির প্রতিবাদের বিষয়টি জানালে চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিক ছাত্রীটিকে গাছে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেন। আব্দুল কাদের সাথে সাথে ছাত্রীটিকে তাদের বাড়ির উঠানেই গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন শুরু করে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রী মোহনা জানায়, তার দুঃ সম্পর্কের দাদা আঃ কাদের তাকে রশি পেঁচিয়ে গাছে বেঁধে রাখে এবং শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে এবং বেধড়ক মারধর করে তার হাঁটু, গলা ও পিঠে জখম করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে রশি খুলে দিয়ে মোহনাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
