|
এলিফ্যান্ট রোডে ব্যবসায়ীর ওপর হামলায় দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() এলিফ্যান্ট রোডে ব্যবসায়ীর ওপর হামলায় দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন ওয়াহিদুল হাসান দিপু এবং মো. এহতেসামুল হকের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে শনিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর দু্ইটা থেকে এলিফ্যান্ট রোড এলাকার সকল দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও মানববন্ধনের ডাক দেয়া হয়। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসিএস কমপিউটার সিটির প্রবেশদ্বারে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে ব্যবসায়ী নেতারা এ হামলার তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার শিকার মো. এহতেসামুল হককে পাশ্ববর্তী পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার শিকার অপর ব্যক্তি ওয়াহিদুল হাসান দীপুকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। মার্কেট থেকে বের হওয়ার সময় অতর্কিত হামলার শিকার হন তারা। এহতেসামুল হককে মার্কেটের সামনে রাস্তার ওপর এবং দীপুকে তার গাড়ির ভেতরেই হামলা করে দেশীয় অস্ত্রধারী হামলাকারীরা। এ সময় বহিরাগত হামলাকারীরা আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ে দুইটা গাড়িও ভাঙচুর করছে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে এলিফ্যান্ট রোড কম্পিউটার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি (ইসিএস) কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম হাজারী ডিজিবাংলা-কে বলেন, রাতে আমাদের একটি অনুষ্ঠান ছিলো। অনুষ্ঠান থেকে বের হওয়ার পর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এই হামলা করেছে। প্রথমে চাপাতি হাতে একজন হামলাকারী র্যাম্পে ঢুকেছে। সেখান থেকে গাড়ি বের করার সময় দীপু ভাই এবং তার কিছুটা দূরেই রাস্তার ওপর এহতেসাম ভাইকে এলোপাথারি কোপানো হয়। এসময় তাকে ৭-৮ জন ঘিরে রাখে। হামলায় এহতেসাম এর দুই হাত ও পা মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। অপরদিকে দীপুর গাড়িতে হামলার একপর্যায়ে গাড়ি ভেঙ্গে যায়। দৌড়ে মার্কেটে ঢোকার সময় তার পায়ে কোপ লাগে। এ ঘটনায় পুরো এলিফ্যান্ট রোডের মার্কেট জুড়ে থম-থমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
