|
কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
|
কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ কুড়িগ্রাম শহরে আজ বেলা সাড়ে ১০ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা পারভীনকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগের ১দফা আল্টিমেটাম দিয়ে ছাত্রীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রীদের তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক শেষ পর্যন্ত পালিয়েছে। ছাত্রীরা অভিযোগ করে জানায়, একজন প্রধান শিক্ষক নিয়ম অনুযায়ী ৯ বছরের ওপর একই বিদ্যালয়ে থাকতে পারেন না কিন্তু অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষক অক্টোবর ১২/১০/২০১০ ইং তারিখ থেকে প্রধান শিক্ষক পদে আসিন হওয়ার পর অদ্যাবদি দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর আওয়ামীলীগ সরকারের পৃষ্টপোষকতায় অবৈধভাবে ক্ষমতার দাফট দেখিয়ে বহাল তবিয়তে আছেন। তার ছাত্রীদের সাথে অসাদারচণ, শ্রেণি শিক্ষকদের মাঝে বিভাজন সৃস্টি , কর্মচারীদের বিভিন্ন বিষয়ে নাজেহালসহ সর্বপরি ছাত্রীদের কাছে অবৈধ সেশনফি সহ নির্দিষ্ট ১৩ বিষয়ে চাঁদা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছিলো। তারা এও অভিযোগ করে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও ম্যাগাজিন প্রকাশের নামে প্রত্যেক ছাত্রীর কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করা হলেও ম্যাগাজিন প্রকাশ করা তো হয়ই না এবং একই সাথে ক্রিড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলেও প্রতিযোগিদের কোন পুরুস্কার না দিয়ে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আসছে। বায়োলজি ল্যাবে ছাত্রীদের ঢুকতে না দিয়ে সেই ল্যাব পার্সোনাল বেডরুম বানিয়েছে, ওই বেডরুমে তিনি সারাদিন সাজুগুজু করে স্কুল টাইম পাস করেন। বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি দীর্ঘদিন থেকে তালা বন্ধরাখা হয়েছে। অভিযোগ তোলা হয়েছে কোন কোন সময় লাইব্রেরির তালা খুলে সেখানে কিসব বিষয়ে অপরিচিত লোকজনদের নিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড মিটিং করা হচ্ছে সেটা তারা জানতে চায়। এছাড়া বিদ্যালয়ের নারায়ন চন্দ্র নামের বাংলা শিক্ষকে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা এবং সরকারি চাকুরি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের রোল নাম্বারের টোকেন দিয়ে অনেতিক ভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলো। আর এ কাজের পুরুস্কার স্বরূপ উল্লেখিত নারায়ন চন্দ্র শিক্ষককে একাডেমিক ভবনের অভ্যন্তরে ব্যাচেলর টিচার কোয়াটারে অবৈধ ভাবে তাকে পরিবারসহ থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে। অন্যান্য শিক্ষকরা প্রতিবাদী হয়ে যাতে কোন গ্রুপিং করতে না পারে সেজন্য শিক্ষকদের কমন রুমও বন্ধ রাখা হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
