ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ফেরি যখন ডুবছিল, দায়িত্বশীলরা তখন ঘুমিয়ে
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 17 April, 2024, 1:32 AM

ফেরি যখন ডুবছিল, দায়িত্বশীলরা তখন ঘুমিয়ে

ফেরি যখন ডুবছিল, দায়িত্বশীলরা তখন ঘুমিয়ে

দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ‘চরম গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতা’র কারণে ডুবেছিল রজনীগন্ধা ফেরিটি। নোঙর করার পর ফেরিটির দায়িত্বশীল সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তখন ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে পানি ঢুকে পড়ে। সবাই ঘুমিয়ে থাকায় পানি সেচে ফেলার কেউ ছিলেন না।

গত ১৭ জানুয়ারি সকালে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ঘাটের কাছাকাছি নোঙর করে থাকা ফেরিটি নয়টি যানবাহন নিয়ে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চরম গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কথা উল্লেখ করা হয়। আর ফেরির দায়িত্বশীলদের ঘুমিয়ে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন বিআইডব্লিউটিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর জন্য দায়ী বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অব্যাহতি, সাময়িক বরখাস্ত ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সংস্থাটির এক নথিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ইনচার্জ মাস্টারের বিধি লঙ্ঘন, তিনি ও অন্য কর্তব্যরত কর্মীদের চরম গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কারণে ফেরিটি দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ কে এম মতিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ফেরিটি যাত্রা করার আগে কিছু বিষয় যাচাই–বাছাই করতে হয়; যা রজনীগন্ধার ক্ষেত্রে ঠিকভাবে করা হয়নি। মূলত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা, ঘন কুয়াশা, ধারণক্ষমতার বেশি ওজন বহন করায় ফেরিটি ডুবেছে। এ জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১৬ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১২টার পর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি রজনীগন্ধা। রাত দেড়টার দিকে ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে নোঙর করে ফেরিটি। পরদিন সকাল সাড়ে আটটার দিকে ফেরিটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় ফেরির দ্বিতীয় ইঞ্জিনচালক হুমায়ুন কবিরের মৃত্যু হয়।

ফেরিটি যেভাবে ডুবে গেল, বিআইডব্লিউটিসির ওই নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেরিটির কোনাগুলির বাউন্ডারি রেলিং ও ডেকের নিচে হালের অংশ অন্য ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষে বা পন্টুনে ভেড়ানোর সময় ধাক্কা লেগে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্য ও দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে ঘন কুয়াশার কারণে ঘাট দেখতে পাওয়া যায়নি। ফলে ঘাটের কাছাকাছি এলেও ফেরিটি ভিড়তে পারেনি। ঘাটের কাছাকাছি ফেরিটি নোঙর করে দায়িত্বশীল সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। তখন ফেরির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে পানি ঢুকে পড়ে। সবাই ঘুমিয়ে থাকায় সেই পানি সেচ দিতে পারেননি ফেরির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। যখন তাঁরা দেখেছেন যে ফেরি ডুবে যাচ্ছে, তখন তাঁরা চেষ্টা করেও ডোবানো ঠেকাতে পারেননি। 

সূত্র: প্রথম আলো

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status