|
গভীর রাতে সিঁধ কেটে গৃহবধূ ও ৭ বছরের শিশুকে ওপর হামলা
মোঃ রাকিবুল হাসান খোকন
|
![]() গভীর রাতে সিঁধ কেটে গৃহবধূ ও ৭ বছরের শিশুকে ওপর হামলা জানা যায়, আহত গৃহবধূ নুরজাহানের স্বামী সাইফুল ইসলাম। তিনি ঢাকায় রিক্সা চালান। নুরজাহান শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়িতেই থাকেন। এদিকে দীর্ঘদিন যাবত জমি নিয়ে সাইফুল ইসলামের সাথে তার প্রতিবেশী আব্দুস ছালাম ওরফে ঠান্ডুর ছেলে শাহিনের বিরোধ চলছে। সম্প্রতি বিরোধপূর্ণ জমি ছেড়ে না দেয়ায় শাহিনসহ অজ্ঞাত তিনজন গত ৪ জানুয়ারি গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত গৃহবধূ নুরজাহান ও তার মেয়ে নাদিফার ওপর হামলা করে। ওইসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নুরজাহানের গলায়, মুখে, মাথায় ও শিশু সন্তানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। ঘটনার সময় ওই গৃহবধূ ও তার সন্তানের আত্মচিৎকারে আশপাশের বাড়ির লোকজন এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে ঘটনাস্থল থেকে সদর হাসপাতালে নেয়। ওইসময় আহত দু'জনের অবস্থা বেগতিক দেখে দায়িত্বীত ডাক্তার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। গত ৫দিন যাবত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মা আর মেয়ে। ওই ঘটনায় আহত গৃহবধূর ভাসুর বাদী হয়ে গত ৬ জানুয়ারি ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগ তুলে প্রতিবেশী শাহিনসহ অজ্ঞাত ৩ জনের বিরুদ্ধে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে লোমহর্ষক এ ঘটনার পর থেকে গ্রামের লোকজন সন্ধ্যা হলেই দুর্বৃত্তদের ভয়ে আতংকিত হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার সকালে গ্রামবাসীর আয়োজনে গোপালখিলা সড়কে মানববন্ধন করে ওই ঘটনায় জড়িত অপর আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলছেন গ্রামবাসীরা। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, জমি নিয়ে রাতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে নুরজাহান ও তার মেয়েকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে। এছাড়া রাতে গ্রামের লোকজন সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঘর থেকে কেউ বের হয় না। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। এ ঘটনায় তদন্তকারী অফিসার শ্রীবরদী থানার এসআই মো. আনিছুর রহমান বলেন, ঘটনার দিনই প্রধান আসামি শাহিনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করেছি। তথ্য পেলেই জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতার করা হবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
