ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ ১০ শ্রাবণ ১৪৩১
মশা মারতে ‘নতুন অস্ত্র’ বিটিআই নিয়ে নামছে ডিএনসিসি
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 10 August, 2023, 10:30 AM

মশা মারতে ‘নতুন অস্ত্র’ বিটিআই নিয়ে নামছে ডিএনসিসি

মশা মারতে ‘নতুন অস্ত্র’ বিটিআই নিয়ে নামছে ডিএনসিসি

ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এইডিস মশা মারতে রোববার থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নতুন কীটনাশক বিটিআই প্রয়োগ শুরু করবে।

বৃহস্পতিবার ডিএনসিসিতে এক অনুষ্ঠানে এই কথা জানান মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, এই কীটনাশকের পুরো নাম বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস। ২৫ গ্রামের এক প্যাকেট বিটিআই ১০ লিটার পানিতে ২৫ থেকে ৫০ বর্গমিটার এলাকায় ছিটাতে হয়।

প্রাথমিকভাবে ঢাকার সড়কের পাশের নালায় এই ওষুধ ছিটানো হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।


অনুষ্ঠানে কীটতত্ত্ববিদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, কোনো স্থানে যখন বিটিআই প্রয়োগ করা হয়, তখন মশার লার্ভা সেটিকে খাবার হিসেবে গ্রহণ করে।

“এটি থেকে নির্গত টক্সিনের বিষক্রিয়ায় মশার মিড-গাটের এপিথেলিয়াল কোষগুলো ফুলে ফেটে যায়। যার কারণে লার্ভার অন্ত্রের প্রাচীর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মারা যায়।”

মশা নিধনে এই কীটনাশক কতটা কার্যকর জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে আমরা মশা মারতে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছি। এতে খুব ভালো ফল পাওয়া গেছে। বিভিন্ন দেশে গবেষকরা ল্যাবরেটরি ও মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এটিকে মশার লার্ভা দমনে কার্যকর উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।”

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের একটি বিশেষজ্ঞ দল শুক্র ও শনিবার বৈঠক করবে। এরপর থেকে প্রয়োগ শুরু হবে এই কীটনাশকের।


“আমাদের কর্মকর্তারা বিশেষজ্ঞ টিমের কাছ থেকে জানবে বিটিআই কীটনাশকটি কিভাবে মিক্সিং হবে, কিভাবে ও কোথায় ব্যবহার হবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় আগামী রোববার থেকে কীটনাশক বিটিআই প্রয়োগ করা হবে।”

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সারা পৃথিবীতেই এই রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। তবে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমানো সম্ভব।

“এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে পারেন। এইডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না করে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমানোর সহজ কোনো উপায় নেই। কারণ মশা এমন একটি প্রাণী, যা যে কাউকেই কামড়াতে পারে।”

ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শফিকুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম এবং ডিএনসিসির কাউন্সিলরা উপস্থিত ছিলেন।

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: [email protected]
কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status