|
ডা. সংযুক্তা সাহাকে আইনি নোটিস
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ডা. সংযুক্তা সাহাকে আইনি নোটিস সেন্ট্রাল হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মামুনুর রশীদ রাসেল জানান, বুধবার তাদের আইনজীবী মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের মাধ্যমে সংযুক্ত সাহার ঠিকানায় ওই উকিল নোটিস পাঠানো হয়। উকিল নোটিসে বলা হয়, সংযুক্তা সাহা তার মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে ‘একাধিক মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর’ তথ্য দিয়েছেন। সংযুক্তা সাহা বলেছেন আঁখি তার রোগী ছিল না, এ বিষয়ে হাসপাতাল মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছে। আঁখিকে ভর্তির বিষয়ে হাসপাতাল সংযুক্তা সাহার কোনো সম্মতি নেয়নি, অস্ত্রোপচারের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত না থাকলেও কীভাবে তাকে ওই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে- সংযুক্তা সাহার এই বক্তব্যও ভিত্তিহীন।” সেন্ট্রাল হাসপাতাল বলেছে, “ওই মিথ্যা, বানোয়াট বক্তব্যের কারণে সেন্ট্রাল হাসপাতালের খ্যাতি এবং সুনামের ক্ষতি হয়েছে। এজন্য সেন্ট্রাল হাসপাতাল এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ওই নোটিসের মাধ্যমে সেন্ট্রাল হাসপাতালের বিরুদ্ধে করা ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওই কোনো ধরনের ‘মিথ্যা অভিযোগ’ না করতে বলা হয়েছে। নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিস পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে করা ‘মিথ্যা বক্তব্য’ প্রত্যাহার করে একটি বিবৃতি দিতে হবে সংযুক্তা সাহাকে। সেই বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্তা সাহার অফিসিয়াল পেইজে দিতে হবে। না হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে নোটিসে। উল্লেখ্য, কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মাহবুবা রহমান আঁখি অস্ত্রোপচার ছাড়া সন্তান জন্ম দিতে চেয়েছিলেন। সেজন্য সেন্ট্রাল হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সংযুক্তা সাহার অধীনে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। প্রসবব্যথা উঠলে গত ৯ই জুন মধ্যরাতে আঁখিকে সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। আঁখির স্বামী ইয়াকুব আলী জানান, প্রসূতিকে ভর্তির সময় চিকিৎসক সংযুক্তা হাসপাতালেই আছেন বলা হলেও আসলে তিনি ছিলেন না। সেই রাতে ওই চিকিৎসকের সহকারীরা প্রথমে স্বাভাবিকভাবে বাচ্চা প্রসবের চেষ্টা করেন। সে সময় জটিলতা তৈরি হলে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুটি ওইদিনই মারা যায়। সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় আঁখিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আঁখির স্বামীর করা মামলায় দুই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেন্ট্রাল হাসপাতালে সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের অনলাইনে কোনো ধরনের প্রচারে এসেছে নিষেধাজ্ঞা। গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সংযুক্তা সাহা ওই হাসপাতালে আপাতত কোনো বিশেষজ্ঞ সেবা দিতে পারবেন না বলে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
