ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
যন্ত্রের অভাবে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত, সহযোগিতা পাচ্ছেনা ফায়ার সার্ভিস
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 9 March, 2023, 9:45 AM

যন্ত্রের অভাবে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত, সহযোগিতা পাচ্ছেনা ফায়ার সার্ভিস

যন্ত্রের অভাবে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত, সহযোগিতা পাচ্ছেনা ফায়ার সার্ভিস

গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে উদ্ধার অভিযান চালাতে বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ নিতে হয় উদ্ধারকর্মীদের। গতকাল বুধবার বেলা তিনটা পর্যন্ত তাঁরা কয়েকটি সংস্থার সহযোগিতা চেয়েও পাননি। এ ছাড়া ভবনটির বেজমেন্টে উদ্ধার অভিযান চালাতে প্রয়োজন শোরিং (ঠেক দেওয়ার) নামের বিশেষ যন্ত্রের। যা ফায়ার সার্ভিসের কাছে নেই। তাঁরা রাজউক ও সিটি করপোরেশনের কাছে এ যন্ত্রের জন্য সহযোগিতা চেয়েও পাননি বলে অভিযোগ করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে যুক্ত ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মী বলেন, বিস্ফোরণে যখন কোনো ভবনের কলাম বা বিম ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হয়। ভবনের ওজন হিসাব করে দেখতে হয়। ভবনের ওজন যদি ১০০ কেজি হয়, সে ক্ষেত্রে উদ্ধার অভিযানের জন্য ১৫০ কেজি ওজন সইতে পারে, এমন শোরিং যন্ত্র ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান চালাতে হয়। কিন্তু যন্ত্র না থাকা ও সমন্বয়হীনতার কারণে সেটি হচ্ছে না। আবার কোনো কোনো সংস্থা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধার অভিযানে নিরুৎসাহিত করছে। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এতে উদ্ধার অভিযানে বিলম্ব হচ্ছে।

২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর উদ্ধার অভিযান শেষ করতে দীর্ঘদিন লেগে যায়। তখন উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা হয়। সক্ষমতা বাড়ানো হয় ফায়ার সার্ভিসের। কিন্তু রানা প্লাজা ধসের ১০ বছর পরে এসেও ফায়ার সার্ভিস বলছে, একটি শোরিং যন্ত্র না থাকায় তাঁরা উদ্ধারকাজ সঠিকভাবে করতে পারছেন না, প্রশ্ন তুছেন অনেকে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ‘শোরিং যন্ত্র না থাকায় বেজমেন্টে অভিযান চালাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। বড় অনেক যন্ত্রপাতি রয়েছে, তবে আমাদের ছোট গাড়ি ও যন্ত্রের প্রয়োজন রয়েছে।’

তবে রাজউকের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞাসহ সংস্থাটির দায়িত্বশীল কমকর্তারা বিস্ফোরণের শিকার ভবনটি ঘুরে দেখেছেন। মঙ্গলবার রাতে ও গতকাল বুধবার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে ছিলেন রাজউকের কর্মকর্তারা। ফায়ার সার্ভিসকে সহযেগিতার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের অথরাইজড অফিসার রংগন মণ্ডল (অঞ্চল ৫ /১) বলেন, ভবন নির্মাণের অনুমোদনসংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করে রাজউক। ঝুঁকিপূর্ণ কোনো ভবন ‘শোরিং’ করার মতো যন্ত্রপাতি সংস্থাটির নেই। আইন অনুযায়ী কোনো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হলে সেটি ঝুঁকিমুক্ত করা বা অপসারণ করার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। সিটি করপোরেশনের এ ধরনের যন্ত্রপাতি থাকতে পারে।

এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বলেন, ‘আমরা ফায়ার সার্ভিসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে একটি হুইল এক্সকাভেটর দুর্ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া উদ্ধারকাজে আরও কোনো ধরনের যান বা যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হলে তা দ্রুততার সঙ্গে সরবরাহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status