|
চট্টগ্রাম বন্দরে ২২০ কন্টেইনারে থাকা পঁচনশীল পণ্যে ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু
নতুন সময়, চট্টগ্রাম ব্যুরো
|
![]() চট্টগ্রাম বন্দরে ২২০ কন্টেইনারে থাকা পঁচনশীল পণ্যে ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি কন্টেইনারে থাকা পণ্য ধ্বংস করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো কন্টেইনারে থাকা পণ্য পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংস কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নিয়ম অনুযায়ী, বন্দর দিয়ে আমদানি করা পণ্য ৩০ দিনের মধ্যে খালাস না করলে আমদানিকারককে নোটিশ পাঠায় চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। নোটিশ দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ওই পণ্য খালাস না করলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস। এরপর নিলাম আহবান করে দরপত্র বিক্রি করে কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময় শেষে সব দরপত্র যাচাই-বাছাই করে সর্বোচ্চ দর দাতাকে পণ্য বুঝে নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। এছাড়া নিলামে যেসব পণ্য বিক্রি হয় না দীর্ঘদিন পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যায় সেগুলো ধ্বংস করা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্য মতে, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিভিন্ন বেসরকারি ডিপোতে পড়ে থাকা ২৬ লটে ২২০টি কন্টেইনারে পঁচনশীল পণ্য রয়েছে। এরমধ্যে বন্দরের রেফার্ড ও ড্রাই কন্টেইনার রয়েছে ২২টি ও বিভিন্ন বেসরকারি ডিপোতে রয়েছে ১৯৮টি কন্টেইনার। এসব কন্টেইনারে ধ্বংসযোগ্য বা পঁচনশীল পণ্যচালানসমূহ হলো- আদা, ফল, সরিষা বীজ, মাছের খাদ্য, মাছ ও মাংস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত স্থায়ী আদেশ বলে গঠিত ধ্বংস কমিটির গত ৪ জানুয়ারির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ সকাল ১১টায় এসব কন্টেইনারে থাকা পঁচনশীল পণ্যচালানের ধ্বংস কার্যক্রম শুরু করা হবে। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার মুহাম্মদ মাহফুজ আলম জানান, আমরা আজ থেকে প্রতিদিন পঁচনশীল পণ্যচালানের ধ্বংস কার্যক্রম শুরু করতেছি।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
