রাজধানীর রুপনগর সন্ত্রাসীদের হামলায় ব্রিটেন প্রবাসীর বোনের মৃত্যুর অভিযোগ
ব্রিটেন প্রবাসী বৃটিশ আলতাফ হোসেন মার্তৃভূমিকে ভালোবেসে জীবনের শেষ সময় দেশের বুকে কাটানোর জন্য রাজধানীর রুপনগ ইস্টার্ন হাউজিং-এর ‘বি’ ব্লকে ১৩০/১৩২ প্লট ক্রয় করেন। সেখানে বহুতল ভবন নির্মানের জন্য ২০১০ সালে এ.পি.এল নামে একটি বিল্ডার্স কোম্পানীর সাথে চুক্তিদ্ধ হন।
প্রবাসী প্রতারিত হচ্ছে বুঝতে পেরে বাধ্য হয়ে সেই বিল্ডার্স কোম্পানীর সাথে পূর্বের চুক্তি বাতিল চেয়ে ২০১৭ সলে ঢাকা জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এবং প্রবাসি নিজের টাকা দিয়ে ভবনের কাজ করতে থাকে।
সম্প্রতি নাজমুন নাহার নামে এক মহিলা হারুন নামে এক সহযোগীকে সাথে নিয়ে উক্ত ভবনের ৩য় ও চতুর্থ তলার ফ্ল্যাটের মালিকানা দাবী করে ২০২০ সালে সম্পাদিত একটি দলিল এর কথা বলে। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় কিভাবে সেটা রেজিষ্ট্রি হলো তা প্রবাসীর বোধগম্য নয়।
সেই ফ্ল্যাটে প্রবাসীর এক অসুস্থ বোন বসবাসরত ছিলো।
প্রবাসী আলতাফ নাজমুন নাহারকে উকিল নোটিশ প্রদান করলে। নাজমুন নাহার আদালতে না গিয়ে হারুনকে সাথে নিয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের যোগসাজোশে প্রবাসীর বোনকে বের করে দিয়ে জবর দখলের পায়তারা শুরু করে।
গত ১৪ অক্টোবর, নাজমুন নাহার এর লোকজন এসে তিন দিনের মধ্য ফ্ল্র্যাট না ছাড়লে জোর করে বের দেয়ার হুমকি দেয়।
প্রবাসী ভীত হয়ে বিষয়টি নিয়ে রুপনগর থানায় সাধারণ ডায়েরী করে। এবং ১৫-১০-২০২২ ইং তারিখে প্রবাসী আলতাফ বাংলাদেশ পুলিশ প্রধান আই জি পির কার্যালয়ে এবং ডি এম পি পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে বিস্তারিত লিখে আবেদন দাখিল করে।
তারপর সেই ১৫-১০-২০২২ ইং তারিখ সন্ধ্যার পর নাজমুননাহার এর সহযোগী হারুন ৭/৮ জন সন্ত্রাসী নিয়ে প্রবাসীর অসুস্থ বোন মাহমুদা চৌধুরীর ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে ভয় ভীতি তান্ডব চালিয়ে বেশকিছু মালামাল বাইরে ছুড়ে ফেলে।
এই ঘটনায় ভয়ে মানসিক চাপ ও যন্ত্রনায় মাহমুদা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। অন্য এক সদস্য ৯৯৯ ফোন দিলে রুপনগর থানার পুলিশ এসে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করে।
পরে প্রবাসী র্যাব কার্যালয়ে যেয়ে কথা বলে এবং এরপর মিরপুর ডি.এম.পি ডিসি কার্যালয়ে ডিসির কাছে দেখা করতে গেলে অধ:স্থনদের কাছে জানতে পারেনা, ডিসি মিটিংএ ব্যস্ত তাই ১৬ তারিখে দেখা করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ঐদিন ১৫ তারিখ রাতেই ভয়ভীতি মানসিক চাপে মাহমুদা বেগম হার্টফেল করে মারা যায়।
প্রবাসী আলতাফ বলেন, এই মৃত্যুর দায় আক্রমণকারীদের। প্রবাসীর বোনত মারা গেলো এখন বাকী আছে প্রবাসীর খুন হওয়া। তা-না হলে আদালতে মোকদ্দমা চলা অবস্থায় কি করে প্রকাশ্যে হারুন সন্ত্রাসী এনে এক অসুস্থ মহিলার ফ্ল্যাটে ঢুকে ভয়ভীদি ত্রাস সৃষ্টি করে যার পরিনতিতে হার্টফেল করে মৃত্যুবরণ করে। এখন আলতাফের পর্ব। মার্তৃভূমিকে ভালোবেসে দেশে ফিরতে আসার পরিনতি এত নির্মম।
আলতাফ আরো বলেন, একজন প্রবাসীর সম্পত্তিকে আইনানুগভাবে রক্ষা করে দেশপ্রেমকে সম্মান জানানো জরুরী প্রয়োজন সরকার ও রাষ্ট্রের।
উল্লেখ্য: প্রবাসী আলতাফ আদালতে তার বোন হত্যা মামলা দায়ের করবে।