মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে দু’দেশের সরকারী বৈঠক ২ জুন
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 29 May, 2022, 9:20 PM
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে দু’দেশের সরকারী বৈঠক ২ জুন
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান আগামী ১ জুন ঢাকায় আসছেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রনালয়ের আবেদনে করা সারাভানানের এ সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মক্ত করতে ফলপ্রসু আলোচনা হতে পারে। এজন্য তার ঢাকা সফরের পরের দিন ২ জুন দু’দেশের শীর্ষ নীতি নির্ধারকরা বৈঠকে বসবেন।
এদিকে শ্রমবাজারর সঙ্গে সম্পৃক্ত সংগঠণ রোববার ২৯ মে জানায়, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান এর সফর উপলক্ষ্যে একটি চক্র তৎপর হয়ে উঠেছে। এই চক্রটি চায় না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হোক।
জানা গেছে, মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ মন্ত্রীর ঢাকা সফরের ঠিক আগের দিন ৩১ মে বায়রার কিছু সংখ্যক সদস্য বা রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটিকে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মিটিং ডেকেছ। এই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য মালয়েশিয়ার মন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গী উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদেরকে অসম্মান করে এবং মিডিয়ায় মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে সম্ভাবনাময় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটিকে খোলার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করা। এর আগেও তারা এই প্রক্রিয়ায় মিটিং-মিছিল মানব বন্ধন প্রভৃতি কর্মকান্ডের মাধ্যমে দুই সরকারের প্রচেষ্টা বানচাল করেছে।৩১ মের মিটিংটি তাদের ১৮তম অপ-প্রচেষ্টার অংশ বিশেষ।
শ্রম বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা আরো জানান, এই ধরনের মিটিং-মিছিলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অসম্মান করা হলে শুধু মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যাওয়া বন্ধ থাকবে তাই নয়, বরং যারা মালয়েশিয়ায় আছেন তাদেরও ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে। এরফলে প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশী শ্রমিককেও দেশে ফিরে আসার মতো বিপদের সম্মুখিন হতে পারে। সুতরাং এই ধরনের কর্মসূচী বন্ধ করা প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটি বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার। দেশের স্বার্থে এই শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত এবং কর্মী পাঠানো শুরু করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সীমিত সংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে, নাকি সকল এজেন্সির মাধ্যমে বাজার উন্মুক্ত হবে সেটা মূখ্য বিবেচ্য বিষয় নয়। অভিবাসী কর্মীদের জন্য বাজার উন্মুক্ত হওয়া সবচেয়ে জরুরী।