কুমিল্লায় কুকুরের কামড়ে দুই দিনে প্রতিবন্ধীসহ ৫জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ মার্চ) ও রোববার (৬ মার্চ) দুইদিনে জেলার তিতাসে বলরামপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীনারায়ণকান্দি গ্রামেএ ঘটনা ঘটে।
আহত প্রতিবন্ধী সজীব মোল্লার (১৭) বাবা ইউনুস মোল্লা জানান, রোববার সকাল ৮টার দিকে বাইরে থেকে ফেরার সময় বাড়ির শিমগাছের নিচ থেকে এসে এক পাগলা কুকুর তার ছেলের ওপর আক্রমণ করে। এ সময় তার ডান পায়ে কামড় বসিয়ে দেয় কুকুরটি। পরে তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
কুকুরের কামড়ে আহত বায়েজীদের (৮) মা বলেন, সকালে বাহির থেকে ঘরে আসার সময় একটি কুকুর আমার ছেলের পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়। একই গ্রামের আ. কাদির ও অহাব মিয়ার স্ত্রীকেও পাগলা কুকুর কামড়িয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তারা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন।
উপজেলার বাতাকান্দি গ্রামের শাহিন আলম জানান, বাতাকান্দি বাজারের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় হঠাৎ করে একটি কালো কুকুর এসে পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়। এ জন্য চিকিৎসা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছেন তিনি। ইদানীং কুকুরের উপদ্রব বেড়ে গেছে। এটি যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তবে অনেকেই এমন অবস্থা হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (৬ মার্চ) দুপুরে জেলার তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার সৈয়দা নওশীন আফরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুদিনে প্রায় ৫ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসা নিয়ে যে যার বাড়িতে চলে গেছেন।
তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ও স্থানীয়দের সূত্রে যানা যায়, শনিবার সকাল থেকে রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত পাগলা কুকুরের কামড়ে পাঁচজন আহত হয়। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর কেউ কেউ চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন।
এ বিষয়ে বলরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নুরনবীকে তার মুঠোফোনে কল করলে কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।