অ্যান্ড্রয়েড ১১ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত ওয়ালটনের এই ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ২.০ গিগাহার্জ গতির শক্তিশালী হেলিও জি৮৫ অক্টাকোর গেমিং প্রসেসর। গ্রাফিক্স হিসেবে আছে মালি-জি৫২-এমসিটু। এরসঙ্গে ৪ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র্যাম থাকায় দুর্দান্ত গতির সঙ্গে মিলবে অসাধারণ গেমিং অভিজ্ঞতা। ফোনটিতে ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারন্যাল স্টোরেজের সাথে ২৫৬ গিগাবাইট মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট সুবিধা রয়েছে। ফলে অনেক বেশি ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
স্মার্টফোনটির অন্যতম বিশেষ ফিচার এর ক্যামেরা। ফোনটির পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশসহ ১.৮ অ্যাপারচার সমৃদ্ধ এআই ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। যার প্রধান সেন্সরটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের। পাশাপাশি রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেলের ডেফথ সেন্সর। ১/২ ইঞ্চির ৬পি লেন্স থাকায় ছবি হবে ঝকঝকে ও নিখুঁত। আকর্ষণীয় সেলফির জন্য ফোনটির সামনে রয়েছে ২.০ অ্যাপারচারের ৮ মেগাপিক্সেল মিডল পাঞ্চহোল ক্যামেরা। উভয় ক্যামেরায় ফুলএইচডি রেজ্যুলেশনের ভিডিও ধারণ করা যাবে।
ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নিজস্ব কারখানায় তৈরি এই স্মার্টফোনে ৩০ দিনের বিশেষ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা রয়েছে। এছাড়া, ১০১ দিনের প্রায়োরিটি সেবাসহ স্মার্টফোনে এক বছরের এবং ব্যাটারি ও চার্জারে ছয় মাসের বিক্রয়োত্তর সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক।