ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করে আব্দুল গণি এখন ‘টাইগার গণি’
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 23 December, 2021, 11:38 PM

বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করে আব্দুল গণি এখন ‘টাইগার গণি’

বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করে আব্দুল গণি এখন ‘টাইগার গণি’

দরিদ্র পরিবারে জন্ম জেলে আব্দুল গণি গাজীর (৪৫)। অভাবের তাড়নায় লেখাপড়া করা হয়নি। ছোটবেলায় বাবার কাছ থেকে নদীতে মাছ ধরার কৌশল শেখেন। শুরু হয় সংগ্রামী জীবন। সুন্দরবন ও এর আশপাশের নদীতে ঘুরে ঘুরে এখন তিনি পরিচিতি পেয়েছেন ‘টাইগার গণি’ নামে। এই পরিচিতিও এক দিনে হয়নি। বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়েই আব্দুল গণি গাজী এখন টাইগার গণি।

আব্দুল গণি গাজী ওরফে টাইগার গণি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামের মৃত বদরউদ্দীন গাজীর ছেলে। বাঘের মুখ থেকে জীবিত মানুষ অথবা ছিন্নভিন্ন মরদেহ ফিরিয়ে আনার ভয়ংকর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বাঘের মুখ থেকে শতাধিক মানুষকে ছিনিয়ে এনেছেন। আব্দুল গণি থেকে টাইগার গণিতে পরিণত হওয়ার সেই ভয়ংকর পথের গল্প ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন আব্দুল গণি গাজী।

যেভাবে পা বাড়ালেন বাঘের সামনে

আব্দুল গণি গাজী বলেন, জ্ঞানবুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই আমি জেলে। সুন্দরবন ও সুন্দরবন উপকূলীয় নদীতে মাছ ধরেই চলে সংসার। তবে সুন্দরবনে গিয়ে যে কোনো জেলে বাওয়ালিদের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়তাম সব সময়। এসব করতে গিয়েই ঘটনাক্রমে ২০০৭ সালে সুন্দরবন নিয়ে কাজ করা সংগঠন ওয়াইল্ড টিমে আমার চাকরি হয়। আমার এলাকার ফরেস্ট অফিস থেকে অনুমতিপত্র নিয়ে ৭ সদস্যের একটি দল মধু সংগ্রহ করতে সুন্দরবনে যান। এদের মধ্যে দুইজনকে বাঘে ধরে। একজন জীবিত ফিরলেও আরেকজন বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারান।

মরদেহটি উদ্ধার করতে টাইগার টিমের সদস্য, ফরেস্ট টাইগার রেসকিউ টিমসহ স্থানীয়দের সঙ্গে আমিও ঘটনাস্থলে যাই। আমি সহযোগিতা করেছিলাম সেই মরদেহটি উদ্ধার করতে। ওই দলকে আমি জানালাম কীভাবে মরদেহটি আমরা উদ্ধার করব বা কীভাবে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করব। এরপর আমার কার্যক্রম পছন্দ হওয়ায় ওয়াইল্ড টিমের ফরেস্ট টাইগার রেসপন্স টিমে চাকরি দিল তারা। এক বছর পর ২০০৮ সালে টিম লিডারের দায়িত্ব দেয় আমাকে। তারপর থেকেই সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে কেউ বিপদগ্রস্ত হলেই আমাকে দায়িত্ব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। ২০১৯ সালে ওয়াইল্ড টিমের ফরেস্ট রেসপন্স টিমের প্রজেক্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেই চাকরিটা এখন আর নেই। তবে আমার কার্যক্রম থেমে নেই।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status