ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ৬ মে ২০২৬ ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
মারধরের পর করোনা রোগীর মৃত্যু, প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 1 August, 2021, 9:15 PM

মারধরের পর করোনা রোগীর মৃত্যু, প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

মারধরের পর করোনা রোগীর মৃত্যু, প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

আইসিইউতে চিকিৎসাধীন করোনা রোগী সবুজ পিরিসকে মারধর ও তার মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় শিন জিন জাপান হাসপাতালের অজ্ঞাত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসামি করা হয়েছে।

রোববার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলা অভিযোগে বলা হয়, গত ১৮ জুলাই মামলার বাদীর মেয়ে লাবনীর স্বামী সবুজ পিরিস শ্বাসকষ্টজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় এবং স্কয়ার হাসপাতালে কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়। এতে রেজাল্ট পজিটিভ আসে। তবে স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে সিট খালি না থাকায় বাদীর মেয়ের জামাইকে ইউনাইটেড এবং পরে এপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানেও আইসিইউ খালি নেই বলে জানতে পারেন। পরে বাদী নিরুপায় হয়ে ঘুরাঘুরি করতে থাকলে অজ্ঞাত দালালদের মাধ্যমে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১১ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ এভিনিউ শিন জিন জাপান হাসপাতালে আইসিইউ খালি আছে বলে জানতে পারেন। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে বাদীর মেয়ের জামাই সবুজকে শিন জিন জাপান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন আইসিইউ বেড বাবদ ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা এবং ঔষধ ও অন্যান্য খরচ বহন কর‍তে হবে বলে জানান। এ অতিরিক্ত খরচের বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবগত করে কিছু টাকা কম নিতে বললে তারা দুর্ব্যবহার করেন। বাদী তার মেয়ের জামাইকে হাসপাতালে ভর্তি করতে বাধ্য হন। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নানা অযুহাতে বাদীর জামাইয়ের চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করেন। এছাড়া শিন জিন জাপান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাদীর জামাইয়ের সঠিক চিকিৎসা না করে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটান।

মামলা অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, গত ২১ জুলাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাদীকে জানান, জরুরিভিত্তিতে অসুস্থ সবুজকে এভাস্টিন ইনজেকশন দিতে হবে এবং এজন্য ৮০ হাজার ৮০০ টাকা লাগবে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে ধানমন্ডি থেকে এ ইনজেকশন সংগ্রহ করে জমা দেওয়া হয়। এ ইনজেকশন দেওয়ার পর থেকে ভুক্তভোগী সবুজ অসংলগ্ন আচারণ করতে থাকে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা কোনো গুরুত্ব দেয়নি। এরপর ২৩ জুলাই রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাদীকে ফোন দিয়ে জানান, তার জামাই সবুজ আইসিইউতে কর্মরত নার্স ও ওয়ার্ড বয়কে চাকু দিয়ে আঘাত করেছে। তারপর বাদী হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তার জামাই সবুজকে হাসপাতালের আইসিইউ কক্ষের সম্মুখে ফাঁকা জায়গায় বেডের সঙ্গে হাত ও পা বাঁধা এবং তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষত ও কালো দাগযুক্ত আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে বাদী জানতে পারেন, হাসপাতালের অজ্ঞাত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার মেয়ের জামাইকে আইসিইউ থেকে বের করে এনে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার ডান হাতের হাড় ভেঙে যায়। এছাড়া বাম হাতের কব্জি খুলে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম হয়। পরে গত ২৬ জুলাই বাদীর মেয়ের জামাই সবুজ গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় গত ২৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় জ্যোতি কস্তা বাদী হয়ে মামলা করেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status