|
বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২০ পেল সিনেসিস আইটি
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২০ পেল সিনেসিস আইটি বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রকল্পগুলো আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিস্তৃত সম্ভাবনাগুলোই তুলে ধরছে। মনোনীত প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতার জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়, যা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সক্ষমতাকেও তুলে ধরছে প্রকল্প দুটি। মূলত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন ও ই-গভর্নেন্স সেবা প্রদানের মাধ্যমে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য সিনেসিস আইটি লিমিটেডকে এই দুইটি পুরস্কারটি দেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সোহরাব আহমেদ চৌধুরী বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২০ এর প্রধান বিচারক আব্দুল্লাহ এইচ কাফি’র কাছ থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন। সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম (সিবিভিএমপি) প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতিটি সিমকার্ড নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবির সত্যতা সঠিকভাবে যাচাই করাসহ ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসর্পোটেও নিয়ে আসা হয়েছে ডিজিটালাইজেশন। সিবিভিএমপি-এর আওতায় এখন পর্যন্ত দেশের সব মোবাইল অপারেটরের মোট ২৫ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি সিম কার্ড নিবন্ধন করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট ইউনিক সাবস্ক্রাইব ১৩ কোটি’র অধিক। এছাড়াও প্রতিদিন গড়ে ১.২ লাখেরও বেশি মানুষ বিভিন্ন মাধ্যমে সিবিভিএমপি-এর নিবন্ধন নিয়ে থাকে। সিবিভিএমপি প্রতিটি মোবাইল অপারেটরের সিম ডেটার সর্বাধিক লেনদেনের ডেটাবেস তৈরি করতেও সক্ষম হয়েছে। যেটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০টি ডাটা রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। সিনেসিস আইটির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সোহরাব আহমেদ চৌধুরী এই সম্মাননা প্রাপ্তি নিয়ে বলেন, “২০০৬ সালে স্বল্পসংখ্যক কর্মী নিয়ে আমারা যাত্রা শুরু করি সিনেসিস আইটি’র। গত ১৫ বছরে মেধা, একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সিনেসিস আইটি’কে আজ আমরা এই পর্যায়ে নিয়ে আসতে পেরেছি। আমরা এই স্বীকৃতির জন্য বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেস বা বেসিসকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। এই ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আমাদেরকে আরও ভাল কাজের উৎসাহ জোগাবে। এই প্রকল্প দুটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ও লোকবলের দক্ষতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজ হয়েছে। একই সাথে এগুলো মানুষের জীবন-মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ই-টিআইএন-এর কারণে করদাতারা সহজেই কর সংক্রান্ত সেবা পাচ্ছেন। এছাড়া সিবিভিএমপি-এর মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের সাথে সামাজিক নিরাপত্তার দিকটিকেও সমান ভাবে সাহায্য করছে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
