|
হরিয়ানায় মুসলিম যুবকের হত্যাকারীদের বাঁচাতে কট্টর হিন্দু নেতার সমাবেশ
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হরিয়ানায় মুসলিম যুবকের হত্যাকারীদের বাঁচাতে কট্টর হিন্দু নেতার সমাবেশ দিনদশেক আগে এ রকমই একটি সমাবেশ থেকে মুসলিমদের হত্যা করার ডাক পর্যন্ত দেওয়া হয়- যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়ার পর হরিয়ানা পুলিশ এখন কিছুটা নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে। খবর বিবিসির। যিনি এই ডাক দিয়েছেন তিনি রাজপুতদের সংগঠন কার্নি সেনার শীর্ষ নেতা। নিজেই তিনি ভিডিওটি নিজস্ব ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন। কিন্তু পুলিশ কাউকে এ ঘটনায় এখনও গ্রেফতার পর্যন্ত করেনি। ওই কট্টরপন্থি হিন্দু নেতা সুরজ পাল আমুর ফেসবুক পেজের দাবি অনুসারে তিনি ক্ষমতাসীন বিজেপিরও নানা পদে আছেন। এদিকে এ ধরনের সমাবেশ থেকে ক্রমাগত হুমকি আসতে থাকায় রাজ্যের মুসলিম সমাজ আতঙ্কে আছেন। গত মাসের ১৬ তারিখে হরিয়ানার খলিলপুর খেডা গ্রামের বাসিন্দা আসিফ খান তার বাড়ি থেকে একটু দূরে সোহনা শহরে ওষুধ কিনতে এসেছিলেন, তখন তার গ্রামেরই জনাকয়েক বাসিন্দা তাকে ঘিরে ধরে পিটিয়ে হত্যা করে। পেশায় জিম ট্রেনার আসিফ খানের হত্যাকে পুলিশ অবশ্য গণপিটুনির ঘটনা বলে মানতে চায়নি, তারা এটিকে ব্যক্তিগত শত্রুতার পরিণাম বলেই বর্ণনা করছে। মামলার এফআইআরে ১৪ জনের নাম করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে অন্তত পাঁচজন বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত। তাদের মুক্তির দাবিতে লকাডাউনের মধ্যেই রাজ্যে একের পর এক মহাপঞ্চায়েত বা মহাসমাবেশ ডাকা হয়। গত ৩০ মে মেওয়াট জেলার ইন্দ্রি গ্রামে এমনই একটি সমাবেশে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান থেকেও বহু মানুষ এসেছিলেন, কারফিউর মধ্যেও প্রায় ৫০ হাজার লোকের ভিড় হয়েছিল সেখানে। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কার্নি সেনা সংগঠনের প্রধান সুরজ পাল আমু সেখানে বলছেন— নিহত আসিফ খান ওর কর্মের সাজা পেয়েছে। ওদের একশবার মারব, মায়ের দুধ খেয়ে থাকলে আমাদের আটকাক দেখি! এ ধরনের চরম বিদ্বেষমূলক ভাষণের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠন অভিযুক্তদের মুক্তির দাবিতে মিছিল ও সমাবেশও করছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
