শীত উপেক্ষা করে ইভিএমে প্রথম ভোট দিচ্ছেন কুড়িগ্রাম পৌরবাসী
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 28 December, 2020, 11:32 AM
শীত উপেক্ষা করে ইভিএমে প্রথম ভোট দিচ্ছেন কুড়িগ্রাম পৌরবাসী
প্রথম ধাপের পৌর নির্বাচন কুড়িগ্রাম পৌরসভায় চলছে। এই নির্বাচনে ২৪টি ভোট কেন্দ্রে ৫৬ হাজার ৩৯৫ জন ভোটার সোমবার সকাল ৮টা থেকে প্রথমবারের মতো ইভিএমের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার জন্য পৌষের কনকনে শীত উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে স্বতঃস্ফুতভাবে ভোট প্রয়োগ করছেন তারা। ইভিএমে ভোট প্রয়োগ প্রথম হওয়ায় ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তারা ভোট প্রয়োগের দিক নির্দেশনা দিয়ে সহযোগিতা করছেন।
কুড়িগ্রাম পৌর নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ৩ প্লাটুন বিজিবি, ৩টি র্যাবের টিম ও পুলিশের ৮টি মোবাইল টিম কাজ করছে।
এ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের কাজিউল ইসলাম (নৌকা), বিএনপি শফিকুল ইসলাম বেবু (ধানের শীষ), ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের আব্দুল মজিদ (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক (নারকেল গাছ) ও সাইদুল হাসান দুলাল (জগ)।
এরমধ্যে মেয়র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী। অপর মেয়র প্রর্থী সাইদুল হাসান দুলাল আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
এছাড়া কুড়িগ্রাম পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ৯টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।
এছাড়া ৩ প্লাটুন বিজিবি, ৩টি র্যাবের টিম এবং পুলিশের ৮টি মোবাইল টিম কাজ করছে। এখানকার ২৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার নির্বিঘ্নে ভোট প্রয়োগ করছেন। সকাল ৮ টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকের ৪টা পর্যন্ত। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কুড়িগ্রাম পৌরসভা। আর ১৫ বছর আগে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হলেও এখনো বাড়েনি নাগরিক সেবার মান।