ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
৮৬২ কোটি টাকায় ভারতের সংসদ ভবন তৈরির দায়িত্বে টাটা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 17 September, 2020, 10:51 AM

৮৬২ কোটি টাকায় ভারতের সংসদ ভবন তৈরির দায়িত্বে টাটা

৮৬২ কোটি টাকায় ভারতের সংসদ ভবন তৈরির দায়িত্বে টাটা

নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে ভারতের সংসদ ভবন। এই প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছে টাটা প্রজেক্টস লিমিটেড। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে নতুন করে সংসদ ভবন তৈরিতে প্রায় ৮৬২ কোটি টাকার সর্বনিম্ন দরপত্র জিতে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে টাটাকে জানানো হয়েছে যে, ওয়ার্ক অর্ডার পাওয়ার ২০ থেকে ২১ মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। তবে শুধু টাটা গোষ্ঠীই নয়, লারসেন অ্যান্ড টুবরো, সাপুরজি-সহ সাতটি সংস্থা এই প্রকল্পের জন্যে দরপত্র জমা দিয়েছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে কম টাকায় দরপত্র দিয়ে টাটা গোষ্ঠী এই প্রকল্প করার ছাড়পত্র পেল। এই প্রকল্পের জন্য ৯৪০ কোটি টাকা সর্বাধিক খরচ ধরা হয়েছিল।

বুধবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। নতুন এই সংসদ ভবন হবে বর্তমান সংসদ ভবনের পাশেই। তবে বর্তমান সংসদ ভবন যেমন গোলাকার, নতুন ভবন হবে ত্রিকোণাকার। সংসদে থাকবে ৯শ থেকে ১২শ সাংসদের বসার আসন। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার জুড়ে হবে সেন্ট্রাল ভিস্টা।

কিন্তু দেশের এই অর্থনৈতিক অবস্থায় কেন নতুন করে সংসদ ভবন গঠন করা হচ্ছে? এ বিষয়ে গণপূর্ত দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদ ভবনটি সংস্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সংস্কারের পরে পুরনো ভবনটি অবশ্য অন্য কাজে ব্যবহার করা হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুর দিকেই কেন্দ্রীয় সরকার নতুন সংসদ ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সে সময় সরকারের যুক্তি ছিল যে, বর্তমান ভবনের কাঠামোটি ব্রিটিশ আমলে তৈরি। ফলে বহুদিন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি, তাই এই ভবনটি সংস্কারের প্রয়োজন।

যদিও নতুন সংসদ ভবন নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। নতুন সংসদ ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব বিনা টেন্ডারে কেন গুজরাটের আর্কিটেক্ট বিমল প্যাটেলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধী শিবির।

এই নকশা তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বিমল প্যাটেলের সংস্থা এইচসিপিকে ‘কনসালটেন্সি ফি’ হিসেবে ২৩০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই টাকার পরিমাণ কিভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। এক্ষেত্রে বিমল প্যাটেলের সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে কেন সব দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করা হল না, তা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন বিরোধীরা।

বিরোধী শিবিরের দাবি ছিল, গ্লোবাল টেন্ডার না ডেকেই নতুন সংসদ ভবনের নকশা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গেরুয়া শিবিরের ‘স্নেহধন্য’ গুজরাটের নির্মাণ ব্যবসায়ী বিমল প্যাটেলের হাতে। প্রাথমিক ভাবে ৬টি বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য বাছাই করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব পায় এই বিমল প্যাটেলের 'এইচসিপি ডিজাইন' সংস্থা।

নতুন সংসদ ভবন তৈরির কাজ শেষ করতে হবে ২০২২ সালের মধ্যেই। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই নতুন ইতিহাস গড়ার দিনক্ষণ ঠিক করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই। ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি নতুন সংসদ ভবনের সম্ভাব্য উদ্বোধনের তারিখও স্থির করা হয়েছে।

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই প্রধানমন্ত্রী মোদির হাতেই যেন নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন সম্ভব হয় তা নিশ্চিত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে সরকারের শীর্ষ স্তর।

সম্পাদনা: মোঃ রাসেল আহমেদ

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status