ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ● ৯ নভেম্বর ২০২৬ ● ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
মনে দুঃখ, তাই ইচ্ছে করেই বাসকে ঠেলে দিলেন ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে!
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 13 July, 2020, 5:37 PM

মনে দুঃখ, তাই ইচ্ছে করেই বাসকে ঠেলে দিলেন ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে!

মনে দুঃখ, তাই ইচ্ছে করেই বাসকে ঠেলে দিলেন ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে!

বাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তাই মন খারাপ ছিল বাসচালকের। দুঃখে ইচ্ছে করে বাসকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে ঠেলে দিলেন তিনি। নিজে তো মারা গেলেনই, সঙ্গে প্রাণ গেল আরও ২০ জনের। মৃতদের মধ্যে ছিলেন কলেজের পরীক্ষার্থীরাও।

মঙ্গলবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে চীনের  গুইঝাউ প্রদেশের দক্ষিণপশ্চিমে আনশুন শহরে। যাত্রীবোঝাই বাসটিকে নিয়ে সোজা একটি লেকের ভেতরে ফেলেন চালক। এমনই জানিয়েছে পুলিশ। আনশুন শহরের পুলিশ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, 'চালক ঝাং জীবনে অসুখি ছিলেন। তাঁর ভাড়া বাড়িটি সরকার কর্তৃক ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেখে খুব দুঃখে ছিলেন তিনি। সে জন্যই মদ্যপান করে দুর্ঘটনা করান ওই চালক।'

পুলিশ জানিয়েছে, সকালে উঠে ঝাং দেখেন, তাঁর বাড়ি ধ্বংস করতে এসেছেন কর্মকর্তারা। সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ জানানোর জন্য সরকারি হটলাইনে ফোন করেন তিনি। কিন্তু গত জুন মাসে এই ধ্বংসে সম্মতি দিয়ে নিজেই একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন ঝাং। ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাঁর ৭২,০০০ ইউয়ান অর্থাত্‍‌ ১০,০০০ মার্কিন ডলার পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই টাকার আর দাবিই জানাননি তিনি।

পুলিশের ধারণা মনোকষ্টের কারণেই ইচ্ছে করে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন ৫২ বছরের ঝাং। বাসে যখন যাত্রী ওঠানামা করছে, তখনই একটু একটু করে মদ্যপান করেন তিনি। একটি লেকের সামনে আসতেই হঠাত্‍‌ বাসটিকে পাঁচটি লেনে ঘুরিয়ে সোজা লেকের দিকে ধেয়ে নিয়ে গেলেন। এরপর বাস নিয়ে সোজা ঝাঁপ লেকে। জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। মারা যান মোট ২১ জন।

আশুনের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে যাওয়া পাঁচজন ছাত্রছাত্রীর এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। আরও ১৫ জন গুরুতরভাবে জখম। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ঝাঙের শরীর থেকে অ্যালকোহলও মিলেছে।

আশুন পুলিশ এই বিবৃতি দেওয়ার পরই চিনা সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েইবো-তে এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে যায়। দিনভর এই ঘটনা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন নেটিজেন। অনেকেই বাসচালকের এই কীর্তির তুমুল সমালোচনা করেন। কেউ কেউ বলেন, 'দুঃখ থাকলেও নিজের জীবন নিয়ে খেলা করো, এত গুলো জীবন কেন শেষ করে দিলে? এত জনের পরিবারে কেন হাহাকার ফেলে দিলে?' এইসময়

সম্পাদনা: মোঃ রাসেল আহমেদ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status